
চঞ্চল,
লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)। আজ বুধবার (০৮ এপ্রিল) ভোররাত ও সকালে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পাঁচটি ভিন্ন বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই বিশেষ টহল পরিচালনা করা হয়।
আজ রাত ১২:১০ মিনিটে অনন্তপুর বিওপির পশ্চিম রামখানা (নাগেশ্বরী) এবং সকাল ০৬:১০ মিনিটে বালারহাট বিওপির ছালোন বাজার (ফুলবাড়ী) এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এছাড়া মোগলহাট বিওপির চওড়াটারী ও দিঘলটারী বিওপির নামাটী (আদিতমারী) এলাকায় ভোররাতে পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়।
এর আগে গতকাল (০৭ এপ্রিল) রাতে হাতিবান্ধার উত্তর ঝাউরানী এলাকায় টহল দেয় বিজিবি। অভিযান চলাকালীন সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১৬১ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ, ০৯ বোতল মদ এবং ২.৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়ক জানিয়েছেন, জব্দকৃত ১৬১ বোতল ইস্কাফ সিরাপের মূল্য ৬৪,৪০০ টাকা, ০৯ বোতল মদের মূল্য ১৩,৫০০ টাকা এবং গাঁজার মূল্য ৮,০৫০ টাকা। অন্যান্য মালামালসহ আজকের এই অভিযানে মোট ১,৩০,১৫০ (এক লক্ষ ত্রিশ হাজার একশত পঞ্চাশ) টাকার সিজার করা হয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় আপসহীন। চোরাচালানমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা সর্বদা সতর্ক। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
পলাতক চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
























