Dhaka , Sunday, 12 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবির বড় সাফল্য: মাদকসহ ৩ পাচারকারী গ্রেপ্তার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত H.E. Dr. Abdulllah Zafer H. Bin Abiyah এঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরাপদ করতে ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে:- চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় স্বাক্ষী দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ উদ্বোধন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কারের ঘোষণা : প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের রাজধানী কাঁপালো লালমনিরহাটের আসিফ: জাতীয় কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় দেশসেরা রংপুর মেডিকেলে হার মানলেন সুমন: বোন ও চাচার হামলায় প্রাণ গেল তরুণের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ফুটে উঠেছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় খাস জমি দখলমুক্ত: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান সাতকানিয়ার কৃতি সন্তান মোঃ ইছহাক বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নির্বাচিত জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নে ডিএসসিসি’র ব্যাপক উদ্যোগ: দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প ওয়াসার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে: পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ইসরাইলি বোমা হামলায় লেবাননে নিহত বাংলাদেশী নারী দিপালীর পরিবারে শোকের মাতম- শোকার্ত পরিবারের পাশে ইউএনও। নগরীতে আলোচিত হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় প্রধান আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী সবুজ রক্তমাখা ধামাসহ গ্রেফতার নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪ গাজীপুরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল নোয়াখালীতে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ দোকান কুড়িগ্রামে ট্রাক্টরের আঘাতে অটোচালক নুর আমিন নিহত, ৪ জন আহত কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২৭.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি জব্দ করেছে পুলিশ সরাইলে ডাঃ কামরুল হাসানের বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন শামসুর রহমান ও সিরাতুল হুদা ট্রাস্টের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে হাজারো রোগীর চিকিৎসা হিলিতে উদ্ভাবনী চিন্তায় মুখর দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা বিজিবির অভিযানে রামুর খুনিয়াপালং থেকে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কেঁচো সারে বদলে গেলো জীবন: লোহাগড়ার চুনতির কাইছারের সফলতার গল্প! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে গাজীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি মধুপুরে ২ হাজার ৪শ কৃষকের মাঝে পাটবীজ বিতরণ আশ ফাউন্ডেশনের উপহার পৌছে গেল রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলে চট্টগ্রামে ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে ক্যাব এর মানববন্ধন অনুষ্টিত

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:13:33 am, Friday, 15 March 2024
  • 150 বার পড়া হয়েছে

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর-প্রতিনিধি।।
প্রত্যেক বছর রমজান এলেই রামগঞ্জে বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই প্রায় প্রতিবছরই বাজারে একই ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। বর্তমান রমজানকে ঘিরেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ডিম, ভোজ্যতেল, চিনিসহ বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। আর দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে অধিক মুনাফা লুটে নিচ্ছে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কারসাজির দায় নিয়ে উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। দায় নিচ্ছেন না কেউই।
রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রামগঞ্জ বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।৬০টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। এছাড়া ব্রয়লার মুরগী কেজি ২২০ টাকা, কক মুরগী ৩৮০ ও গরুর গোস্ত ৯শ থেকে হাজার টাকা, খাসির মাংস ১১০০-১৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে রামগঞ্জ মাছ ও সবজির বাজারে।
সরেজমিনে রামগঞ্জ কাঁচা বাজার ও মাছ বাজার লক্ষ্মীধর পাড়া বাজার,আথাকরা বাজার ভাটরাবাজার,দল্টাকে বাজার সহজ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, করোলার কেজি ১৪০, মুলা ৬০, কচুর লতি ১২০টাকা, কাঁচা মরিছ ১০০, কুমড়া ৫০, টমেটো ৫০, তরি (ধুন্ধুল) ৭০, কাঁচা পেপে ৪৫, ঝিঙ্গা ৭০, চিচিঙ্গা ৬০, পাতাকপি ১০০, দেশী সীম ৮০-১০০, বরবটি ১২০টাকা, শসা ৯০টাকা, বেগুন-৮০-৯০টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ছোট আকারের কাঁচকলার হালি ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৪০০ টাকায়। চিংড়ি ৫৫০ থেকে ১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোল ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০  টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১২০-১৫০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। গত বছর রমজানে ৯০-১১০ টাকা দামের খেজুর এবারে ৩২০- ০ টাকা, যা খুচরা বাজারে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারের ২০০ টাকার খেজুর ৪৮০ টাকায় এবং ৩০০-৩৫০ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়। মানসম্মত বা একটু ভালো খেজুর কিনতে হলে তো কোন কথাই নেই, ১৫০০-২০০০ টাকা প্রতি কেজি। গতকাল বাজারে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। এছাড়া এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন গতকাল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আক্ষেপ নিয়ে জানান, এ দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিঁছনে বিবিধ অজুহাত থাকলেও আমাদের আয় বৃদ্ধির কোন অজুহাত নেই। সারাদিন গাধার মতো পরিশ্রম করেও পরিবারের সদস্যের জন্য মাসিক খাবারের খরচ কোনভাবেই মেটাতে পারছি না। প্রতি মাসে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে চলতে হলে ৮-১০ হাজার টাকারন উণের চাপ নিতে হয়।।
ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারের মন্ত্রীরা বা সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে কোনো সংকট নেই বলা হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে। বিষয়টি সরকারও স্বীকার করছে, তবে সিন্ডিকেট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ী বা বাজার অস্থিতিশীর করার পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা মাঝেমধ্যে অভিযান চালালেও তাতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে থাকা মাস্টারমাইন্ডরা ধরা পড়ছে না। এ অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষের আর্থিক সঙ্গতি বিবেচনা করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তরা। আলাপকালে বেশ কয়েকজন ভোক্তা এমন দাবি জানান।
আরিফ হোসেন নামের বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, গত এক মাসের তুলনায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। পাইকারী বাজারেও বেশি। আমরা নিজেরাও ধারদেনা করে এখন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, কুমিল্লা, ঢাকার কারওয়ান বাজার ও চট্টগ্রাম থেকে এ এলাকায় সবজি আসে। ঘাঁটে ঘাঁটে গাড়ী আটকায় তার উপর গত কয়েকদিন আগে বৃষ্টিতে মওসুমী সবজির ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়েছে। বাধ্য হয়ে মালও কম আনি এখন। কি করবো, পাইকারী বাজারে বস্তা প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪শ টাকা। স্থানীয় এলাকা বা গ্রাম থেকে সবজি আসবে আরো পরে।  তখন কিছুটা সহনীয় হবে সবজির বাজার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবির বড় সাফল্য: মাদকসহ ৩ পাচারকারী গ্রেপ্তার

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

আপডেট সময় : 10:13:33 am, Friday, 15 March 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর-প্রতিনিধি।।
প্রত্যেক বছর রমজান এলেই রামগঞ্জে বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই প্রায় প্রতিবছরই বাজারে একই ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। বর্তমান রমজানকে ঘিরেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ডিম, ভোজ্যতেল, চিনিসহ বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। আর দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে অধিক মুনাফা লুটে নিচ্ছে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কারসাজির দায় নিয়ে উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। দায় নিচ্ছেন না কেউই।
রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রামগঞ্জ বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।৬০টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। এছাড়া ব্রয়লার মুরগী কেজি ২২০ টাকা, কক মুরগী ৩৮০ ও গরুর গোস্ত ৯শ থেকে হাজার টাকা, খাসির মাংস ১১০০-১৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে রামগঞ্জ মাছ ও সবজির বাজারে।
সরেজমিনে রামগঞ্জ কাঁচা বাজার ও মাছ বাজার লক্ষ্মীধর পাড়া বাজার,আথাকরা বাজার ভাটরাবাজার,দল্টাকে বাজার সহজ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, করোলার কেজি ১৪০, মুলা ৬০, কচুর লতি ১২০টাকা, কাঁচা মরিছ ১০০, কুমড়া ৫০, টমেটো ৫০, তরি (ধুন্ধুল) ৭০, কাঁচা পেপে ৪৫, ঝিঙ্গা ৭০, চিচিঙ্গা ৬০, পাতাকপি ১০০, দেশী সীম ৮০-১০০, বরবটি ১২০টাকা, শসা ৯০টাকা, বেগুন-৮০-৯০টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ছোট আকারের কাঁচকলার হালি ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৪০০ টাকায়। চিংড়ি ৫৫০ থেকে ১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোল ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০  টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১২০-১৫০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। গত বছর রমজানে ৯০-১১০ টাকা দামের খেজুর এবারে ৩২০- ০ টাকা, যা খুচরা বাজারে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারের ২০০ টাকার খেজুর ৪৮০ টাকায় এবং ৩০০-৩৫০ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়। মানসম্মত বা একটু ভালো খেজুর কিনতে হলে তো কোন কথাই নেই, ১৫০০-২০০০ টাকা প্রতি কেজি। গতকাল বাজারে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। এছাড়া এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন গতকাল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আক্ষেপ নিয়ে জানান, এ দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিঁছনে বিবিধ অজুহাত থাকলেও আমাদের আয় বৃদ্ধির কোন অজুহাত নেই। সারাদিন গাধার মতো পরিশ্রম করেও পরিবারের সদস্যের জন্য মাসিক খাবারের খরচ কোনভাবেই মেটাতে পারছি না। প্রতি মাসে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে চলতে হলে ৮-১০ হাজার টাকারন উণের চাপ নিতে হয়।।
ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারের মন্ত্রীরা বা সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে কোনো সংকট নেই বলা হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে। বিষয়টি সরকারও স্বীকার করছে, তবে সিন্ডিকেট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ী বা বাজার অস্থিতিশীর করার পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা মাঝেমধ্যে অভিযান চালালেও তাতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে থাকা মাস্টারমাইন্ডরা ধরা পড়ছে না। এ অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষের আর্থিক সঙ্গতি বিবেচনা করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তরা। আলাপকালে বেশ কয়েকজন ভোক্তা এমন দাবি জানান।
আরিফ হোসেন নামের বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, গত এক মাসের তুলনায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। পাইকারী বাজারেও বেশি। আমরা নিজেরাও ধারদেনা করে এখন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, কুমিল্লা, ঢাকার কারওয়ান বাজার ও চট্টগ্রাম থেকে এ এলাকায় সবজি আসে। ঘাঁটে ঘাঁটে গাড়ী আটকায় তার উপর গত কয়েকদিন আগে বৃষ্টিতে মওসুমী সবজির ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়েছে। বাধ্য হয়ে মালও কম আনি এখন। কি করবো, পাইকারী বাজারে বস্তা প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪শ টাকা। স্থানীয় এলাকা বা গ্রাম থেকে সবজি আসবে আরো পরে।  তখন কিছুটা সহনীয় হবে সবজির বাজার।