প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১:০১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ৪, ২০২৪, ৯:১৬ এ.এম
রামগঞ্জে প্রাক প্রাথমিক কেন্দ্রের অস্তিত্বই নেই দুই বছর বেতন নিচ্ছেন শিক্ষিকা।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
ইসলামি ফাউন্ডেশন রামগঞ্জ উপজেলায় চন্ডিপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ হরিশ্চর ইউসুফ পাটওয়ারী বাড়ীর সামনে কাছারিতে প্রাক প্রাথমিক কেন্দ্র কাগজে কলমে নাম থাকলেও বাস্তবে ঐ কেন্দ্রের কোন অস্তিত্বই নেই।
উপজেলার সাধারণ কেয়ার টেকার হাফেজ মনিরের মেয়ে হাফিজা খাতুন শিউলি ওই কেন্দ্রের দায়িত্বরত শিক্ষিকা।
উক্ত কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষার কথা থাকলেও গত দুই বছর কেন্দ্রের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অথচ শিক্ষিকা শিউলি আক্তারের বেতন তুলে নিচ্ছেন তার বাবা হাফেজ মনির। এমন বিষয়টি জানতেন না বাড়ীর লোকজন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেয়।
বাড়ীর লোকজনসহ স্থানীয়রা জানান, আমাদের বাড়ীর কাছারীঘরে শিশুদেরকে কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য একটি কেন্দ্র রয়েছে অথছ আমরা কেউই জানিনা। অথচ কেন্দ্রের নামে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে বেতন তুলে নিচ্ছেন হাফেজ মনির। তিনি ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপজেলা কেয়ারটেকার হওয়ার সুযোগে নিরবে তার মেয়ের নামে শিক্ষাকেন্দ্রের অনুমোদন আনেন এবং গত দুই বছর যাবত উক্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন।
অভিযোগের বিষয়ে হাফিজা খাতুন শিউলি বলেন, আমি প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি তবে সেটা আমার বাসায়। না পড়িয়ে বেতন উত্তোলন করা ঠিক হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।
অভিযুক্ত হাফেজ মনির হোসেনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল দিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, কার কাছে ফোন দিয়েছেন? এটা মনিরের নম্বর না ! এ কথা বলেই লাইন কেটে দেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ফাউন্ডেশনের লক্ষ্মীপুর উপ-পরিচালক মুহাম্মদ জাকের হোছাইন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করছি এবং প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। আরো অধিকতর তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিহিত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২