মো.মেহেদী হাসান,
অদ্য ১৬ নভেম্বর ২০২৫,রোজ রবিবার সিনেট ভবনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সশস্ত্র বাহিনী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের কাছে আবির্ভূত হয় গনতন্ত্রের আলোকবর্তিকা হিসেবে।
সেই দিন বিপ্লব আর বিজয়ের স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল ছড়িয়ে পড়ে রাজপথে। চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে করতালি, স্লোগান আর জয়ধ্বনিতে। সৈনিক আর সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত রেখে উল্লাসে মেতে ওঠে।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সেই দিনটির স্মরণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। জাতীয়বাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং প্রফেসর ড.মো. আমীরুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা.মওদুদ হোসেন পাভেল,আহ্বায়ক মিডিয়া সেল বিএনপি।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যখন জনগণ তার নাগরিক অধিকার হারিয়েছিল সেই সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭ ই নভেম্বরের মাধ্যমে সেই শৃঙ্খল থেকে জনগণকে মুক্ত করেন। তিনি আরও বলেন জিয়াউর রহমান নিজ সাহসিকতায় সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সংযুক্ত করেন, তিনি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, নিরাপত্তার উন্নয়ন, বহুদলীয়গণতন্ত্র সহ বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। মূল প্রবন্ধকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মো.রফিকুল ইসলাম,সাবেক উপাচার্য ইবি।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রফেসর ড.মোহা.হাছানাত আলী,উপাচার্য, নঁওগা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রফেসর ড.এস এম আব্দুর রাজ্জাক, উপাচার্য, রুয়েট
প্রফেসর ড.মো.কুদরত-ই-জাহান,উপাচার্য, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেহান এ আসাদ,হেড রিসার্চ এন্ড মনিটরিং সেল, বিএনপি,উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটি ২০২৫ এর আহ্বায়ক প্রফেসর ড.এস এম কামরুজ্জামান।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮