এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো :
নিরাপদ অভিবাসন প্রক্রিয়া অনুশীলনের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী'র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ইয়াছমিন কমিউনিটি সেন্টার হল রুমে প্রত্যাশীর স্ট্রেনদেনথ এন্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশান সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের 'নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সুইজারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সহয়তায় ও সুইস উন্নয়ন সংস্থার হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরী সহযোগিতার সাথে পার্টনারশীপে স্ট্রেনদেনথ এন্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশান সিস্টেমস ( সিমস) প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করছে। প্রকল্পের মাধ্যমে বিদেশগামী, বিদেশে অবস্থানরত ও বিদেশ থেকে ফেরত আসা অভিবাসী এবং তাদের পারিবারের আর্থ-সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাটি নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রাপ্তির লক্ষ্যে আইনি সহয়তার কাজ করছে। তাছাড়া নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক তথ্য প্রদানের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সঠিক উপায়ে রেমিট্যান্স ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা ও প্রতারিতরা আইনি সহায়তা পাওয়ার পরামর্শসহ বিভিন্ন প্রকার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। হেলভেটাস বাংলাদেশকে সহায়তা করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'প্রত্যাশী'।
প্রজেক্ট অফিসার মোঃ আজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও প্রত্যাশীর রাঙ্গুনিয়ার সমন্বয়ক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যাশীর এরিয়া ম্যানেজার শুলক চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জোবাইরা নুসরাত লিলি।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসরাত জাহান, জান্নাতুল ফেরদৌসসহ প্রত্যাশীর কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, গণমাধ্যমকর্মী, প্রবাস ফেরত অভিবাসী, সম্ভব্য অভিবাসীসহ মোট ৫০ জন কর্মশালায় উপস্থিত থেকে মূল্যবান মতামত প্রদান করেন।
পুরো কর্মশালাটি পরিচালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার মোঃ আজিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়া তথা চট্টগ্রাম থেকে অনেক মানুষ দালালের খপ্পরে পড়েছেন, সর্বস্ব হারিয়েছেন, কিংবা সাগর পথে বিদেশ গমন করেছে। সেসব মানুষ ও তাদের পারিবারে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। বিদেশ থেকে ফেরত এসে বসে থাকা যাবে না। বিদেশের অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগাতে হবে। তিনি অভিবাসনের ইতিহাস , বাংলাদেশের উন্নয়নে রেমিটেন্সের অবদান তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
এসম তিনি উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা যারা আজ কর্মশালায় অংশগ্রহন করেছেন তাদের দায়িত্ব হচ্ছে নিজ নিজ ওয়ার্ডের অভিবাসন ইচ্ছুক মানুষকে সচেতন করা। বিদেশ যাওয়ার আগে জনশক্তি অফিসের মাধ্যমে তথ্য নিয়ে কাগজপত্র যাচাই করে কাজ ও ভাষা শিখে বিদেশ যাওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮