Dhaka , Saturday, 11 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪ গাজীপুরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল নোয়াখালীতে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ দোকান কুড়িগ্রামে ট্রাক্টরের আঘাতে অটোচালক নুর আমিন নিহত, ৪ জন আহত কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২৭.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি জব্দ করেছে পুলিশ সরাইলে ডাঃ কামরুল হাসানের বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন শামসুর রহমান ও সিরাতুল হুদা ট্রাস্টের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে হাজারো রোগীর চিকিৎসা হিলিতে উদ্ভাবনী চিন্তায় মুখর দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা বিজিবির অভিযানে রামুর খুনিয়াপালং থেকে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কেঁচো সারে বদলে গেলো জীবন: লোহাগড়ার চুনতির কাইছারের সফলতার গল্প! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে গাজীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি মধুপুরে ২ হাজার ৪শ কৃষকের মাঝে পাটবীজ বিতরণ আশ ফাউন্ডেশনের উপহার পৌছে গেল রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলে চট্টগ্রামে ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে ক্যাব এর মানববন্ধন অনুষ্টিত প্রাথমিক শনাক্তকরণই জীবন বাঁচায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকা হতে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ৯ জন মাদক কারবারি’কে আটক করেছে, র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে সাকিব-রবিউল রূপগঞ্জে অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, অটোরিকশা চালক নিহত, আটক -১ জাজিরায় পদ্মা নদীর তীর রক্ষাবাঁধে বিএনপি নেতার ঘোষণা, “এখানে কাজ করবে শুধু আমাদের লোক” কলমাকান্দায় রামনাথপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ, জলাবদ্ধতায় বিপাকে কৃষকরা; মানববন্ধনে ক্ষোভ কচুরিপানায় ঢেকে যাচ্ছে শীতলক্ষ্যা নদী রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার লালমনিরহাটে কিশোর গ্যাংয়ের নৃংশসতা: ছুরিকাঘাতে পথচারীর গুরুতর আহত বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীকে ধর্ষণ: দেড় মাস পর নর্থ বেঙ্গল মোড় থেকে ধরা পড়ল গোলাপ বিজিবির কড়া নজরদারি: কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও মাদক জব্দ টেকনাফ-উখিয়ার জনগণ নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে, অপহরণ, মাদক ও মানব পাচার, বন্ধের পদক্ষেপ – কবীর ছিদ্দিকী। টেকনাফের হ্নীলাতে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ পিস ইয়াবা রামু থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ এক মাদককারবারী গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের রোকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত নগরীর ফুটপাথ থেকে হকার উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনে মতবিনিময় সভা

ভোট নরমালে যদি না হয় সিজার করবো- এমপি সাহেব মাথার উপর আছে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:46:08 am, Saturday, 4 May 2024
  • 107 বার পড়া হয়েছে

ভোট নরমালে যদি না হয় সিজার করবো- এমপি সাহেব মাথার উপর আছে।।

নীলফামারী থেকে
সাদ্দাম আলী।।
এক লক্ষ টাকা জামানত এটা কি মুখের কথা। আগে ছিল ১০ হাজার টাকা জামানত এখন করছে এক লক্ষ টাকা জামানত। ভোটে কি আছে আমি দেখবো- নরমালে যদি না হয় সিজার করবো। এমপি সাহেব মাথার উপর আছে না।
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের ভাতিজা ও ডিমলা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস পারভেজের এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত বুধবার -০১ মে- রাতে ডিমলা উপজেলা খালিশাচাপানী ডালিয়া গ্রামে এক নির্বাচনী সভায় এমন বক্তব্য দেন এমপির ভাতিজা ফেরদৌস পারভেজ। বক্তব্যেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফেসবুকে ভাউরাল হয়ে যায়। ঝড় ওঠে সমালোচনার। এমন হুমকি সংবলিত বক্তব্যের নিন্দা জানাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ বিরূপ মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে ফেরদৌসের কাছে জানতে চাইলে তিনি হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন- ওটা এডিট করা। রহমান চেয়ারম্যানের ছেলে মুন চেয়ারম্যান এগুলা করছে। ওদের তো ভোট নাই। আমি সেখানে বলেছি ‘আমি সরকারী দলের লোক আমি সাধারণ যা উন্নয়ন আছে নরমালী এটা তো আনবই পাশাপাশি উপর থেকে উন্নয়ন সিজার করে আনার লাগে তা আনবো। ভোটের বিষয় আলাপ হয়নি। নরমালের বাহিরেও এমপি সাহেব আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছে সহজে তার কাছে যাইতে পারবো আমি আলাদা ভাবে উন্নয়ন আনতে পারবো। ওরা সুপার এডিট করে এই কাজ করছে।
সেই নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন-এমন কয়েকজন জানান- বক্তব্যটি ফেরদৌসেরই। তারা নির্বাচনী সভায় সরাসরি কথাগুলো শুনেছেন। এতে তারা বিস্মিতও হয়েছেন। একই সঙ্গে শঙ্কায় আছেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিয়ে।
অপর দিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহমান  বলেন- সরকার যেখানে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেখানে এমপির ভাতিজার এমন বক্তব্য এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছে। এতে ভোটাররা ওই যুবলীগ নেতার হাত থেকে বাঁচতে তাকেই -ফেরদৌস- ভোট দিতে পারে।
এদিকে ফেরদৌস পারভেজের বিরুদ্ধে আবদুর রহমান নামে এক প্রার্থীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ওই প্রার্থী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জনাব ফেরদৌস পারভেজ বিভিন্ন নির্বাচনী পথসভায় ঘোষনা দিচ্ছেন তিনি ডিমলা সদরের কোন ভোট কেন্দ্রে প্রতি পক্ষের কোন পোলিং এজেন্ট থাকতে দিবেন না। এ বলে তিনি প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এজন্য তিনি ডোমারের প্রিজাইডিং অফিসারকে ডিমলা ভোট কেন্দ্রে এবং ডিমলার প্রিজাইডিং অফিসারকে ডোমার ভোটকেন্দ্রে দেওয়ার ব্যাবস্থা করার অনুরোধ করেন। এছাড়াও নীলফামারী-১ আসনের এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার এলাকায় এসে এবং ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর দিয়ে আপন ভাতিজা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস পারভেজের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।
এ বিষয়ে নীলফামারী-১ -ডোমার ও ডিমলা- আসনের এমপি আফতাব উদ্দিন  বলেন- এগুলো কতভাবে কত কথা লাগানো যায়। সে বলেছে উন্নয়ন সিজার করে নিয়ে আসবে। সেটাকে এডিট করে উল্টা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিপক্ষ এরকম কত নোংরামী করবে তার ঠিক আছে। আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি এর মধ্যে কয়েকজন বিদেশী নিয়ে এলাকায় গেছিলাম একটা উন্নয়ণমুলক কাজের বিষয়ে আমি নাকি ভোট প্রার্থনা করেছি। আমি কোন নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহন না করেও কোনো ভোটও চাইনি তারপরও আমার বিরুদ্ধে দরখাস্থ লিখে শেষ।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন  বলেন- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি দেখেছি। আমরা ভিডিও বক্তব্যের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। এছাড়াও এক প্রার্থী ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট থানায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
প্রথম ধাপে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ৮ মে। এবারের ভোটে চেয়ারম্যান পদের জন্য লড়ছেন চারজন। তাদের মধ্যে প্রভাবশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে দু’জনকে। তাদের একজন স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকারের চাচাতো ভাই ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার- অন্যজন ভাতিজা ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস পারভেজ। দু’জনই এমপির প্রার্থী বলে ভোটারদের কাছে প্রচার করছেন।
এর আগে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন জেলায় মন্ত্রী-এমপির পরিবারের সদস্যরা প্রার্থী হতে মাঠে নামেন। এমনকি অনেক উপজেলায় তাদের স্বজনেরা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এতে দলের তৃণমূল নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নির্বাচনের মাঠ থেকে মন্ত্রী-এমপি পরিবারের সদস্যদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তবে দুজনের কেউই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪

ভোট নরমালে যদি না হয় সিজার করবো- এমপি সাহেব মাথার উপর আছে।।

আপডেট সময় : 07:46:08 am, Saturday, 4 May 2024
নীলফামারী থেকে
সাদ্দাম আলী।।
এক লক্ষ টাকা জামানত এটা কি মুখের কথা। আগে ছিল ১০ হাজার টাকা জামানত এখন করছে এক লক্ষ টাকা জামানত। ভোটে কি আছে আমি দেখবো- নরমালে যদি না হয় সিজার করবো। এমপি সাহেব মাথার উপর আছে না।
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের ভাতিজা ও ডিমলা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস পারভেজের এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত বুধবার -০১ মে- রাতে ডিমলা উপজেলা খালিশাচাপানী ডালিয়া গ্রামে এক নির্বাচনী সভায় এমন বক্তব্য দেন এমপির ভাতিজা ফেরদৌস পারভেজ। বক্তব্যেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফেসবুকে ভাউরাল হয়ে যায়। ঝড় ওঠে সমালোচনার। এমন হুমকি সংবলিত বক্তব্যের নিন্দা জানাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ বিরূপ মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে ফেরদৌসের কাছে জানতে চাইলে তিনি হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন- ওটা এডিট করা। রহমান চেয়ারম্যানের ছেলে মুন চেয়ারম্যান এগুলা করছে। ওদের তো ভোট নাই। আমি সেখানে বলেছি ‘আমি সরকারী দলের লোক আমি সাধারণ যা উন্নয়ন আছে নরমালী এটা তো আনবই পাশাপাশি উপর থেকে উন্নয়ন সিজার করে আনার লাগে তা আনবো। ভোটের বিষয় আলাপ হয়নি। নরমালের বাহিরেও এমপি সাহেব আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছে সহজে তার কাছে যাইতে পারবো আমি আলাদা ভাবে উন্নয়ন আনতে পারবো। ওরা সুপার এডিট করে এই কাজ করছে।
সেই নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন-এমন কয়েকজন জানান- বক্তব্যটি ফেরদৌসেরই। তারা নির্বাচনী সভায় সরাসরি কথাগুলো শুনেছেন। এতে তারা বিস্মিতও হয়েছেন। একই সঙ্গে শঙ্কায় আছেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিয়ে।
অপর দিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহমান  বলেন- সরকার যেখানে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেখানে এমপির ভাতিজার এমন বক্তব্য এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছে। এতে ভোটাররা ওই যুবলীগ নেতার হাত থেকে বাঁচতে তাকেই -ফেরদৌস- ভোট দিতে পারে।
এদিকে ফেরদৌস পারভেজের বিরুদ্ধে আবদুর রহমান নামে এক প্রার্থীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ওই প্রার্থী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জনাব ফেরদৌস পারভেজ বিভিন্ন নির্বাচনী পথসভায় ঘোষনা দিচ্ছেন তিনি ডিমলা সদরের কোন ভোট কেন্দ্রে প্রতি পক্ষের কোন পোলিং এজেন্ট থাকতে দিবেন না। এ বলে তিনি প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এজন্য তিনি ডোমারের প্রিজাইডিং অফিসারকে ডিমলা ভোট কেন্দ্রে এবং ডিমলার প্রিজাইডিং অফিসারকে ডোমার ভোটকেন্দ্রে দেওয়ার ব্যাবস্থা করার অনুরোধ করেন। এছাড়াও নীলফামারী-১ আসনের এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার এলাকায় এসে এবং ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর দিয়ে আপন ভাতিজা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস পারভেজের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।
এ বিষয়ে নীলফামারী-১ -ডোমার ও ডিমলা- আসনের এমপি আফতাব উদ্দিন  বলেন- এগুলো কতভাবে কত কথা লাগানো যায়। সে বলেছে উন্নয়ন সিজার করে নিয়ে আসবে। সেটাকে এডিট করে উল্টা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিপক্ষ এরকম কত নোংরামী করবে তার ঠিক আছে। আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি এর মধ্যে কয়েকজন বিদেশী নিয়ে এলাকায় গেছিলাম একটা উন্নয়ণমুলক কাজের বিষয়ে আমি নাকি ভোট প্রার্থনা করেছি। আমি কোন নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহন না করেও কোনো ভোটও চাইনি তারপরও আমার বিরুদ্ধে দরখাস্থ লিখে শেষ।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন  বলেন- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি দেখেছি। আমরা ভিডিও বক্তব্যের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। এছাড়াও এক প্রার্থী ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট থানায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
প্রথম ধাপে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ৮ মে। এবারের ভোটে চেয়ারম্যান পদের জন্য লড়ছেন চারজন। তাদের মধ্যে প্রভাবশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে দু’জনকে। তাদের একজন স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকারের চাচাতো ভাই ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার- অন্যজন ভাতিজা ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস পারভেজ। দু’জনই এমপির প্রার্থী বলে ভোটারদের কাছে প্রচার করছেন।
এর আগে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন জেলায় মন্ত্রী-এমপির পরিবারের সদস্যরা প্রার্থী হতে মাঠে নামেন। এমনকি অনেক উপজেলায় তাদের স্বজনেরা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এতে দলের তৃণমূল নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নির্বাচনের মাঠ থেকে মন্ত্রী-এমপি পরিবারের সদস্যদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তবে দুজনের কেউই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।