প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ৫, ২০২৬, ৯:২০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১১, ২০২৩, ১২:২২ পি.এম
ভাড়ায় চালিত গাড়ির চালক ও হেলপার কে মারধর।।

ইবি প্রতিনিধি।।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবহন অফিসের দুই বাস চালককে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা সুয়াইল পরিবহনের একটি বাসের চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১১ নভেম্বর) সকালে কুষ্টিয়ার বৃত্তিপাড়া নামক স্থানে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তি চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী বাস চালক মোমিন শেখ।
ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ‘সকালে বাজার ট্রিপে কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে বৃত্তিপাড়ায় জ্যামে পড়েন ভুক্তভোগী মোমিন শেখ। এসময় তিনি দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা একটি গাড়ি বাহিরের যাত্রী তোলার জন্য রাস্তার উপর দাড়িয়ে জ্যাম তৈরি করেছে। তখন ভুক্তভোগী গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে সুয়াইল পরিবহনের ওই গাড়ির চালককে রাস্তা ছাড়তে বললে হঠাৎ করে বাসটির চালক জসিম এবং হেলপার লালন তার উপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর করেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের আরেক চালক সালাহউদ্দিন তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করেন অভিযুক্তরা। মারধরের সময় ভুক্তভোগী মোমিনের একটি স্মার্টফোন ভেঙে যায় এবং সালাউদ্দিনের কাছ থেকে নগদ দশ হাজার সাতশত টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের লুকিং গ্লাসও ভেঙে ফেলেন। এবং শেষে রড, লাঠি-সোটা সহ আরও প্রায় ৩০ জনকে ডেকে তাদের ভুক্তভোগীদের উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুয়াইল পরিবহনের বাস চালক জসিম বলেন, ‘ঘটনার সময় সময় আমি বাসেই ছিলাম। আমি বাস থেকে নামলামই না, আর এখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভ্যান সিএনজির কারণে ওখানে এমনিতেই জ্যাম লেগে থাকে। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের ড্রাইভার এসে আমাদের হেলপারকে বকাবকি ও মারতে উদ্যত হন। এসময় আমি বাস সামনে এগিয়ে সাইট দিই তাদের। হেলপারের বাড়ি ওই এলাকায় হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ওইসময় সেখানে লোকজন জড়ো হয় এবং মারামারির সৃষ্টি হয়। এতে আমার বাসের হেলপার প্রচন্ড মারধরের শিকার হয়। এটা খুব অন্যায় হয়েছে।’
এদিকে লিখিত অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। জানতে পেরেছি তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ যেহেতু পেয়েছি আমরা পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘সকালে আমরা ঘটনাটি জানতে পারি। ভুক্তভোগীরা পরিবহন অফিসে একটা লিখিত অভিযোগ দেয়। তার একটা অনুলিপি আমাদের কাছে আসে। পরে সেটা আমরা রেজিস্ট্রার অফিসে পাঠিয়েছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, আমার কাছে একটি কপি এসেছিলো। আমি উপ-উপাচার্য বরাবর অভিযোগটা পাঠিয়েছি। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সেটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গ্রহন করবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২