মো: আব্দুর রহিম, শরীয়তপুর প্রতিনিধি,
প্রতিবছর বর্ষা এলেই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য মানুষ। তবে এখনো বর্ষা পুরোপুরি শুরু না হওয়ায় বড় ধরনের ভাঙন শুরু হয়নি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভাঙন শুরু হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে চায় সরকার। ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় ব্যয়ের বিষয়টি মুখ্য নয়, মানুষের জীবন ও বসতভিটা রক্ষাই যে প্রধান লক্ষ্য, সেই বার্তাই দিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে জাজিরায় পদ্মা সেতুর ডান তীর রক্ষা বাঁধের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ভাঙন রোধে ব্যয় কত হচ্ছে সেটি বড় বিষয় নয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের জীবন ও বসতি রক্ষা করা।
তিনি আরও জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকেই কাজ শুরু হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান না আগামীতে বর্ষা মৌসুমে শরীয়তপুরে একটি ঘরও নদীগর্ভে বিলীন হোক। সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, অবহেলিত শরীয়তপুর জেলাকে আধুনিক জেলায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের অংশ হিসেবে পদ্মা ও মেঘনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮