
চঞ্চল,
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি নাগরিক আলী হোসেনের (৫০) মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বুধবার (০৮ এপ্রিল) রাত ৯টায় পাটগ্রাম থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিহতের স্বজনদের কাছে মরদেহটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আজ রাত ৮টা ৫০ মিনিটে সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩-এস সংলগ্ন স্থানে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা পুলিশ মরদেহটি পাটগ্রাম থানা পুলিশের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেয়।
হস্তান্তরকালীন সময়ে বিজিবির পক্ষে ধবলগুড়ি বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ আমিরুল ইসলাম এবং বিএসএফের পক্ষে ১৫৬/শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার এসি শ্রী রাজেস কুমার ইয়াদব নিজ নিজ বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।
থানা পুলিশ মরদেহটি বুঝে নেওয়ার পর রাত ৯টার দিকে নিহতের বড় ভাই মোঃ আনোয়ার হোসেনের (৪৮) নিকট হস্তান্তর করে। নিহত আলী হোসেন পাটগ্রামের ধবলগুড়ি পূর্ব পানিয়ারটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
উল্লেখ্য, আজ বুধবার ভোর রাতে সীমান্তের ৮৭৪/৫-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আলী হোসেন নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সকালেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির কড়া প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এবং দ্রুত মরদেহ হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেয়।
























