চট্টগ্রাম ব্যুরো,
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস)’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে সাংবাদিক নেতা ‘কাদের গণি চৌধুরী’ নিয়োগ পাওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)’।
এক অভিনন্দন বার্তায় সিএমইউজে সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর মহাসচিব হিসেবে কাদের গণি চৌধুরী সাংবাদিকদের অধিকার, পেশাগত মর্যাদা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় দীর্ঘ সময় ধরে যে সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা সাংবাদিকতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।‘ বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ত্যাগ, নির্ভীক নেতৃত্ব এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পেশাগত অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে সাংবাদিক সমাজের একজন পরীক্ষিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন পেশাজীবী আন্দোলনে কাদের গণি চৌধুরীর দৃঢ় অবস্থান ও নেতৃত্ব ছিল আপসহীন।‘ বিগত ফ্যাসিষ্ট শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রশ্নে তিনি যে অবস্থান নিয়েছেন, তা শুধু সাংবাদিক সমাজ নয়, বৃহত্তর পেশাজীবী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তাঁরা বলেন, ‘বিএসএসের নেতৃত্বে তাঁর নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁর অভিজ্ঞতা, পেশাদারিত্ব ও সাহসী নেতৃত্বে বিএসএস আরও বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভরযোগ্য, জনস্বার্থনির্ভর ও আধুনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ক্ষমতার বাইরে থাকা মানুষের কণ্ঠ, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা জাতীয় সংবাদপ্রবাহে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে বিএসএস ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন।
সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ কাদের গণি চৌধুরীর নতুন দায়িত্বের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মর্যাদার আন্দোলনে পরীক্ষিত নেতৃত্ব এবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে—এটাই সাংবাদিক সমাজের প্রত্যাশা।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮