শওকত আলম, কক্সবাজার:
কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ১ জনেরটি স্থগিত করা হয়েছে।
শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনব্যাপী পূর্বনির্ধারিত যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এ ঘোষণা দেন।
শনিবার কক্সবাজার-৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও) ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়।
কক্সবাজার-৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)
এই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৬ প্রার্থীর মধ্যে ভোটার স্বাক্ষরসংক্রান্ত তথ্যে ভুল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুর, ইসলামী আন্দোলনের আমিরুল ইসলাম, লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ)
এই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৫ জন প্রার্থীর সবাইকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন— বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী, ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হক, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এর সাইফুদ্দিন খালেদ এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া)
শুক্রবার কক্সবাজার-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ২ জনেরটি অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের আব্দুল্লাহ আল ফারুখ এবং গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. আব্দুল কাদের।
অবৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)
এই আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৫ জনেরটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।
বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন— জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলা।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিসের ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান এবং জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল করিম।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চতুর্থ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮