চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ চোরাই যানবাহন চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় পটিয়া থানা পুলিশের সুনিপুণ গোয়েন্দা তৎপরতা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান এবং কৌশলগত অভিযানে চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চক্রের ০৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ০৪টি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক-এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আখতার হোছাইন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকদিন ধরে চক্রটির গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ০২ আগস্ট ২০২৬ ইং , দুপুর আনুমানিক ১ টা ৩০ মিনিটের সময়পটিয়া পৌরসভার বাহুলী এলাকায় কৃষি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্ব পাশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন ফাতেমা মোটরস-এর সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় মোঃ নুরুল আমিন (৩০), উজ্জ্বল মিয়া (৩৬) এবং রিমন আহমদ (২৭)-কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ০৪টি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ০৩টি নম্বরবিহীন এবং অপরটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর চট্টমেট্টো-থ-১১-৪৩৪৩।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চোরাই যানবাহন চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত অটোরিকশাগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তকরণ এবং এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় পটিয়া থানার মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে, চোরাই যানবাহন ক্রয়-বিক্রয়, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত কোনো চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান এবং ধারাবাহিক আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব অপরাধচক্র নির্মূলে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮