প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১২:৫৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ৯, ২০২৪, ১২:০৯ পি.এম
নরসিংদী শতবর্ষের বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের কোন ভাস্কর্য নেই।।

অরবিন্দ রায়
স্টাফ রির্পোটার।।
নরসিংদীর শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পাঁচদোনা স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজে মুক্তিযুদ্ধের কোন ভাস্কর্য নির্মান করা হয়নি। ১৯১৯ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্তের নামে এ বিদ্যালয় স্হাপন করা হয়। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন , ১৯৬৯ গনঅভূথান , ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। অথচ শত বছরেও বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের কোন ভাস্কর্য নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণ করার দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে আসছেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুকুমার চন্দ্র কর জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মনে লালন করার জন্য বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণ করা প্রয়োজন।
স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাসুম বিল্লাহ জানান,
বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ দিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণের দাবি করে আসছেন। আমিও তাদের দাবিকে সমর্থন করি। আওয়ামীলীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের সরকার। আশা করি নতুন সরকার শতবর্ষের বিদ্যালয়গুলোতে ভাস্কর্য নির্মাণ করবেন।
নরসিংদী সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব কফিল বাচ্চু জানান, মুজিব বর্ষের দেশের সকল শতবর্ষের বিদ্যালয়ে মুক্তি যুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণের দাবি করছি।
নবম শ্রেণির ছাএী ছোঁয়া জানান, আমরা মুক্তিযদ্ধের কথা দাদা দাদীর কাছে শোনেছি। স্কলের লাইব্রেরি থেকে মুক্তিযদ্ধের বই পড়েছি। কিন্ত মুক্তি যুদ্ধের ভাস্কর্য বাস্তবে দেখিনি।
সিনিয়র শিক্ষক সুজিত কুমার দাস জানান, বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য থাকলে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নিজেদেরকে দেশ গড়ার কারিগড় হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন, দেশের শতবর্ষের প্রতিটি বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মান করা উচিত। বেশির ভাগ তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে না। বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য থাকলে শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়বে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২