চঞ্চল,
উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এর ফলে রংপুর বিভাগের চারটি জেলা—নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর এবং কুড়িগ্রামের তিস্তা সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার উৎসস্থল সিকিম এবং পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টির পানি সরাসরি তিস্তার মূল প্রবাহে যুক্ত হওয়ায় ভাটি অঞ্চলে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, লালমনিরহাট জানায়, তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ক্রমাগত বাড়ছে। গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় যা বিপদসীমার ৫৩ সে.মি নিচে (৫১.৬২ মিটার) ছিল, তা বেড়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিপদসীমার ২৬ সে.মি নিচে (৫১.৮৯ মিটার) এবং আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিপদসীমার মাত্র ২৩ সে.মি নিচে এসে দাঁড়িয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, "উজানের পানি প্রবাহের কারণে আগামীকাল পর্যন্ত তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর প্রভাবে উল্লেখিত চার জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
এদিকে, ডালিয়া পয়েন্টের দায়িত্বে থাকা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, "আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং উজানের পানির চাপ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। নদীপাড়ের মানুষদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হচ্ছে এবং তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮