তিতাস-কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাসে জোর পূর্বক প্রবাসীর বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী আবু মিয়া ও তার ছেলে নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার সকালে উপজেলার কড়িকান্দি ইউনিয়নের আলীরগাঁও গ্রামের মালোশিয়া প্রবাসী মো.মঙ্গল মিয়ার বাড়িতে।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়-ওই বাড়িতে কোন পুরুষ নেই।ওই বাড়িতে শুধু তিনজন নারী বসবাস করছে।এমন সুযোগ পেয়েই মালোশিয়া প্রবাসী মঙ্গল মিয়ার বাড়িতে কাটা ও জালের বেড়া দিয়ে তার ৯ শতাংশ ভূমি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আবু মিয়া ও তার ছেলে নাজমুল হাসান।
এই অবস্থায় মালোশিয়া প্রবাসী মঙ্গল মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম গত শুক্রবার সকালে ঘর থেকে বের হতে না পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চাইলে এরপরই তিতাস থানা পুলিশ উদ্ধার করে ওই ভুক্তভোগী পরিবারকে।আরও জানা যায়,নিরীহ ওই প্রবাসীর স্ত্রী-পুত্রবধূসহ তার মেয়ে বসতবাড়ী ও ভূমিতে বসবাস করলে তাদেরকে প্রায় সময় মারধর করাসহ হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে আবু মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন।এই ঘটনার বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী ভূক্তভোগী রেহেনা বেগম-৪৫- বলেন-আমার স্বামী ও ছেলে প্রবাসে থাকে। আমার স্বামী ৫ শতাংশ ভূমি আবু মিয়ার কাছে বিক্রি করেছে। কিন্তু আমার স্বামী দেশে না থাকায় এই সুযোগে একই গ্রামের আম্বর আলীর ছেলে আবু মিয়া-৫০- তার স্ত্রী নাজমা বেগম -৪০-তার ছেলে নাজমুল হাসান -২০- বড় ছেলে ইসমাইলের স্ত্রী রুনা আক্তার -২৫- আমাদের বসতবাড়ির ৯ শতাংশ ভূমি জোর পূর্বক দখলে নিতে বসতবাড়িতে কাটা ও জালের বেড়া দিয়ে আমাদেরকে ঘর বন্ধী করে রাখে। আমরা ঘর থেকে বের হতে চাইলে তারা আমাদের উপর কয়েকবার হামলা চালায়।
তখন আমরা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে তিতাস থানা পুলিশ এসে কাটা ও বেড়া সরিয়ে আমাদেরকে উদ্ধার করে। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।এব্যাপারে অভিযুক্ত আবু মিয়া বলেন- মঙ্গল মিয়ার কাছ থেকে ৫ শতাংশ ভূমি আমার শ্যালায় কিনেছে।আর বাকি ৯ শতাংশ ভূমি মঙ্গল মিয়া আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার নামে স্ট্যাম্প করে দিয়েছে।ওই স্ট্যাম্পে উল্লেখ করা আছে ৯ শতাংশ ভূমির কথা। তাই আমি আমার জায়গায় বেড়ে দিয়েছি,আমরা কারো উপরে হামলা করিনি, মারধরও করিনি। এদিকে অভিযুক্ত আবু মিয়ার কাছে ৯ শতাংশ জমি ক্রয়ের স্ট্যাম্প দেখাতে বললে, তিনি দেখাতে পারেনি। এবিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- কাঞ্চন কান্তি দাস জানান,জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























