তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাসে কাটা তারের বেড়া দিয়ে সরকারি খাস জমি দখল করে পাকা দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর উত্তর পাড়া গ্রামের তারেকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।এ ব্যাপারে রহমান নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বলরামপুর ইউনিয়নের উত্তর নাগেরচর গ্রামের পূর্বপার্শ্বে সরকারি পরিত্যক্ত ডোবা আনুমানিক ৪৩ শতাংশ ভূমির অন্ধরে তারেকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ডোবার কিছু ভূমি জবর দখল করে সেখানে যায়গা ভরাট করে পাকা দেয়াল ও তারের বেড়া নির্মাণ করেছেন।অভিযোগকারী আরও বলেন,বৃটিশ সরকারের আমল থেকে আমাদের বাপ-দাদারা এই খাস জমি ভোগ দখল করে আসছে যেহেতু আমদের বাড়ির সামনের জমি।এই ডোবা আমাদের বাড়িরও বৃষ্টির পানি গিয়ে জমা হতো,সেই ডোবার পানি আবার খালের মধ্য দিয়ে চলে যেতো আমরা সবাই সেই পানি দ্বারা রান্না ও গোসলের কাজ করতাম।তাছাড়া মসজিদের মুসল্লিরাও সেই পানি দিয়ে অজু ও গোসল করতেন। মাঘ ও ফাগুন মাসে আমরা দেশীয় মাছ ধরতাম।কিন্তু বর্তমানে জমি ওয়ালা খাস জমি পাইবে বলে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী দিয়ে গ্রামবাসীকে ভয় দেখিয়ে এই ডোবয় বালু বরাট করে পাকা দেয়াল তুলেছে। এতে করে ডোবা ও মসজিদের বৃষ্টির পানি নামার রাস্তা বন্ধ হয়ে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এই খাস জমি (ডোবা) ভূমি বেদখলের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।সরকারি জমি থেকে এ অবৈধ স্থাপনা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।সরকারি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে তারেকুল ইসলাম বলেন, ‘তহশিলদার, ইউপি সদস্য,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সরেজমিনে উপস্থিত থেকে জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।সে অনুযায়ী আমি আমার ব্যক্তিগত জমিতে নির্মাণকাজ করছি।কোন একটি মহল আমার ভালো কজের প্রতি ইর্শ্বান্বীত হয়ে প্রপাগাণ্ডা চড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।এ ব্যাপারে বলরামপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা পিন্টু দাস বলেন, আমরা এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তার তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেবো।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কমিশনার(ভূমি) কে এম আবু নওশাদ বলেন,বিষয়টি আমাদের কাছে তেমন ক্লিয়ার না তবে আমরা সরজমিনে যাবো।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮