প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ৩০, ২০২৫, ৪:৫৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১৪, ২০২৫, ৭:৫৪ পি.এম
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে রাজ ধনেশ

তৌহিদ বেলাল,
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে বিলুপ্তপ্রায় রাজধনেশ পাখি। পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রি এলাকা থেকে বনবিভাগ সম্প্রতি দুটি রাজধনেশ পাখি উদ্ধার করে। সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পাখিগুলো পার্কের পাখিশালায় রাখা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর আলম।
বান্দরবান বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আবদুর রহমান জানান, থানচির এক পাহাড়ি বাসিন্দার বাড়িতে বিক্রির উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছিল পাখিগুলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে বান্দরবান সদর বন বিভাগের কার্যালয়ের মাধ্যমে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে হস্তান্তর করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৃথিবীতে ৫৬ প্রজাতির রাজধনেশ পাখি রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশে চার প্রজাতি দেখা যায়। বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে এই পাখি এখন বিলুপ্তির পথে। চেনার উপায় হলো শিংয়ের মতো বাঁকানো শক্ত ঠোঁট। এরা উঁচু গাছের ডালে বাসা তৈরি করে এবং ফলমূল, পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ খায়।
সাফারি পার্কের ইমচার্জ মো. মনজুর আলম জানান, পার্কে আনার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রাজধনেশ পাখিজোড়া পাখিশালায় রাখা হয়েছে। সেখানে নিয়মিত ফলমূল সরবরাহ করা হচ্ছে। আকারে কিছুটা ছোট হলেও পাখিগুলো শারীরিকভাবে সুস্থ। দর্শনার্থীরা রাজধনেশ পাখি দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। পার্কের কর্মচারীরা নিশ্চিত করছেন, দর্শনার্থীরা যাতে পাখিগুলোকে ক্ষতি করতে না পারে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২