নুর মুহাম্মাদ,
সীমান্তবর্তী টেকনাফ-উখিয়ার সাধারণ নাগরিকদের জীবন-যাপন হারদম ঝুঁকির মুখে জড়িয়ে পড়ছে।এমন কোন দিন নেই,কোন না কোন ব্যক্তিকে অপহরণ করে পাহাড়ে গুম করে মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে এবং কোন মতে প্রাণে বেঁচে যাচ্ছে, আবার কেউবা মুক্তিপণ না দিতে পেরে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছে।
গত ৮ই,এপ্রিল বাহার ছড়া নোয়াখালী গ্রামে একটি লাশ তিন খন্ড করার খবর সামাজিক মিডিয়াই প্রকাশিত হয়েছে, যা দেখে সারা দেশের মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় নই কী!
আবার কতিপয় অপহরণকারি সিন্ডিকেট টাকার লোভে জোর করে মানুষকে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জাহাজে তুলে দিচ্ছে।
দিন-দিন মাদক পাচার,অস্ত্র পাচার ও অপহরণ বৃদ্ধি পাচ্ছে,এসবের পিছনে মূলে অধিকাংশ রোহিঙ্গা রিফিউজি জড়িত আছে বলে অনেকের ধারণা,সাথে কতিপয় দেশীয় অর্থলোভী ব্যক্তি।উখিয়া-টেকনাফে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা রিফিউজির বসবাস।এ সব অপরাধ ও অপকর্মের মূল হোতা রোহিঙ্গা রিফিউজি।
এদেরকে হয়তো মায়ানমারে প্রত্যাবর্তন নতুবা ৬৪ জেলায় ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে সীমান্তবর্তী উপজেলা থেকে নিয়ে যাওয়া ছাড়া স্হানীয় জনগণের নিরাপত্তার জন্য কোন বিকল্প পথ নেই বলে মনে করি।
মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী,মাননীয় উখিয়া-টেকনাফ থেকে নির্বাচিত এম,পি আলহাজ্ব শাহ জাহান চৌধুরী ও ককসবাজার জেলা পুলিশ সুপার: সহ টেকনাফ- উখিয়ার আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের জোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,এ সব কর্মকান্ডের বন্ধের আরো অধিকতর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য। আমরা উখিয়া -টেকনাফবাসী, এলাকায় থাকতে চাই, নিরাপত্তা চাই এবং জীবন-যাপন করে বাঁচতে চাই।
মাননীয়,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও স্হানীয় এম,পি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, প্রয়োজনে চলতি সংসদ অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আলোচনা করার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আপনি ককসবাজার জেলার গর্বিত সন্তান, ককসবাজার জেলায় সন্ত্রাস, অপহরণ, মানব ও মাদক পাচার বন্ধের ব্যপারে জোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮