শওকত আলম, কক্সবাজার:
টেকনাফের লম্বুরী সৈকত সংলগ্ন ইকোট্যুরিজম কমপ্লেক্সে সন্ত্রাসীদের দুই দফা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ ও ১১ অক্টোবর রাতের অন্ধকারে সংঘটিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সশস্ত্র অবস্থায় একদল দুবৃত্ত কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে সাইনবোর্ড, সিসি ক্যামেরা, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর করে এবং কিছু লুটপাট চালায়। এমনকি তারা কমপ্লেক্সে অবস্থানরত মালিকের শিশু কন্যাকে অপহরণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার আংশিক ভিডিও ফুটেজ কমপ্লেক্সের অক্ষত থাকা সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড রয়েছে, যা ইতোমধ্যে তদন্তকারী সংস্থার হাতে রয়েছে। এ ঘটনায় কক্সবাজারে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আদালতে সন্ত্রাসী আব্দুল আজিজকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার তদন্তাধীন রয়েছে।
ইকোট্যুরিজম ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “লম্বুরী সৈকত জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় স্থান। এখানে চলমান কর্মশালা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর এ হামলা পরিকল্পিত।”
ফেডারেশনের নেতারা ইতোমধ্যে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, এই ঘটনায় শুধু বিনিয়োগকারীর ক্ষতি হয়নি, বরং স্থানীয় পর্যটন পরিবেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
লম্বুরী সৈকতকে সন্ত্রাসমুক্ত করে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮