শওকত আলম, কক্সবাজার:
জাতিসংঘের রোহিঙ্গা বিষয়ক সম্মেলনে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একাই দিয়েছে ৬০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি। তবে বাংলাদেশ এ সহায়তা থেকে কতটা লাভবান হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী।
তার গবেষণা অনুযায়ী, ঘোষিত সহায়তার মাত্র ২.৪ শতাংশ স্থানীয় এনজিওর হাতে যায়। তিনি অভিযোগ করেন, কক্সবাজারের দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় এনজিওগুলোকে উপেক্ষা করে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করছে।
সম্মেলনে চীন ও রাশিয়া বাদে প্রায় ৩৬টি দেশ রোহিঙ্গাদের অধিকার ও মিয়ানমার সেনা সরকারের নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে চীন-রাশিয়া মিয়ানমারের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে এবং প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশকে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দিয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্মেলনে অবিলম্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানান। তবে এ প্রস্তাব কতটা গুরুত্ব পেয়েছে তা স্পষ্ট নয়। কানাডা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের জনগণের ওপর চাপ ও কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সম্পদের সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে। জাতিসংঘ মহাসচিবও তার নোটে পানিসহ সম্পদের ওপর বাড়তি চাপের কথা উল্লেখ করেন।
রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, “এটি নিঃসন্দেহে সরকারের একটি উদ্যোগ। তবে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের লাভ কতটা হবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ। রোহিঙ্গা কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পারবেন কি না— সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮