তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও সেই ধর্ষণচিত্র ভিডিও এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে এক যুবক। এই ঘটনায় মামলা হলে শাহাদাত হোসেন নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব জানায়, ভিকটিম চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর এলাকার একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। মাদরাসায় আসা-যাওয়ার পথে শাহাদাত হোসেন তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো। তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় গত ৯ নভেম্বর মাদরাসায় যাওয়ার পথে শাহাদাত ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে শাহাদাত। পরে ধর্ষণের সেই ভিডিও দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে সে। এবিষয়ে ধর্ষিতা ছাত্রীর পরিবার চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দায়ের করলে শাহাদাত আরো ক্ষুব্ধ হয়ে গত মাসের শেষের দিকে সেই ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। যা রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনায় রবিবার (১ জানুয়ারি) ওই ছাত্রীর পরিবার চকরিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা (নং ০১, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৯(১)/৩০ ধারা এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(১)/৮(২))/৮(৩) ধারা পেনাল কোড ৩২৩/৫০৬) দায়ের করে।
পরে ভিকটিমের পরিবার এবিষয়ে র্যাব-১৫ এর নিকট অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের সাথে জড়িত আসামী শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
র্যাব-১৫ কক্সবাজার'র সিপিএসসি ক্যাম্পের আভিযানিক দল সোমবার (২ জানুয়ারি) চকরিয়া উপজেলার রায়পুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সাথে জড়িত শাহাদাত হোসেন (৩২) কে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত শাহাদাত হোসেন চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের রামপুর গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের পুত্র।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি শাহাদাত হোসেন ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র ্যাব।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮