
চঞ্চল,
দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং মাদক পাচার রোধে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তারই ধারাবাহিকতায়, গত ১৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে রাতে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কুলাঘাট চেকপোস্টে এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, একটি প্রাইভেটকার এবং একজন সাময়িক বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য ১৬ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল কুলাঘাট চেকপোস্টে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছিল। আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টায় একটি প্রাইভেটকারকে সন্দেহজনকভাবে আসতে দেখে থামানোর সংকেত দিলে চালক গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে বিজিবির চৌকস সদস্যরা দ্রুত গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে। তল্লাশির পর গাড়িটি থেকে ৪০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীর নাম মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩৭), যিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি একজন সাময়িক বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্য।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি এই প্রসঙ্গে বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।” তিনি একইসঙ্গে স্থানীয় জনগণের প্রতি মাদক পাচার রোধে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।
আটককৃত ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামালসহ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই অভিযানটি বিজিবির সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্বের এক অনন্য উদাহরণ, যা মাদকের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সফলতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি এই প্রসঙ্গে বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।” তিনি একইসঙ্গে স্থানীয় জনগণের প্রতি মাদক পাচার রোধে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।
আটককৃত ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামালসহ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই অভিযানটি বিজিবির সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্বের এক অনন্য উদাহরণ, যা মাদকের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সফলতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।