শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভুমখাড়া ইউনিয়নের স্বপন বেপারীর ছেলে রানা বেপারী (১৯) স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বর্তমানে তিনি লাইভ সাপোর্টে আইসিইউওতে ভর্তি আছে বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা।
এ ঘটনায় রানার মা পান্না বেগম (৪৮) সাত জনকে আসামি করে নড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আহত রানার মা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই ২০২২ পদ্মা সেতু উদ্বোধনের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে লঞ্চ থেকে নামার পর কথা কাটাকাটি হয় স্থানীয় যুবক সাইফুল বাবুর্চি সহ কয়েকজনের সাথে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে ভুমখাড়া ইউপির ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার রফিক মাঝিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে উভয়কে মিলিয়ে দেয়া হয়। ঐ দিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে রানা বেপারী নতুন বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাইফুল বাবুর্চিসহ ৭/৮ জন একটি মাচায় বসে ছিলো, রানা তাদের দিকে বাঁকা চোখে তাকিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে সাইফুল বাবুর্চি( ২৩), আল-আমীন শেখ(২০), নিলয় খলিফা, মিঠু, আতিকুর(১৯), অন্তর (২০) ও ফারদিন মিজি (১৯) বাঁশের লাঠি দিয়ে বিভিন্ন কায়দায় মারধর শেষে পুকুরের কিনারায় ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়।
মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিগণ গা ঢাকা দিয়েছ। যারা গ্রেফতার হয়েছিল তারা আদালত থেকে জামিন পেয়েছে। বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এবিষয়ে অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
ভূমখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, রানা বেপারী নামের যে যুবক হামলার শিকার হয়েছে সে একজন শান্ত প্রকৃতির ছেলে। রফিক মেম্বার ঘটনার দিন সকালে ওদের কথা-কাটাকাটি হলে বিষয়টি মিট করে দিয়েছেন। কিন্তু যারা হামলা করেছে ওরা কিশোর গ্যাং ওদের একটি বাহিনী রয়েছে। এদের বিচার হওয়া উচিত।
এবিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম সুমন বলেন, মামলা হওয়ার পর আমরা চারজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছিলাম, তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছে। বাকিদের আমরা গ্রেফতারের চেষ্টা করতেছি।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮