ইয়াসিন ইসলাম আপন,
রোববার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জে র্যাব-১৪ ও র্যাব হেডকোয়ার্টারের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. মুস্তাফিজুর রহমান (৪৫), মো. মোতাহার হোসেন (২৭), মো. মিজানুর রহমান (৩০), মো. রনি (২৬), মো. বাদল মিয়া (৪৭), মো. হৃদয় মিয়া (২৫), মো. ফয়সাল (২২), আব্দুর রহমান (২৫), মো. হাফিজ হোসেন (৩০), মো. সাগর আহমেদ (৩৫), মো. শামিম মিয়া (৩১), মো. রাফসান (২৩), মো. মাসুদ রানা (৩৮), মো. রাসেল মিয়া (৩২), মো. শাফায়াতুল খালেক সাইফুল (৩৮), মো. অজুল মিয়া হৃদয় (২৫), মো. নাদিম মিয়া (২৮), মো. ইমন (২০), মো. সেলিম মজুমদার ও মো. মাহফুজ।
জানা যায়, সংঘবদ্ধ একটি দালাল চক্র দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্রে ঘাটতি দেখানো, এমনকি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ভেরিফিকেশন ছাড়াই অতি দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে আসছিল। পাসপোর্ট প্রার্থীরা প্রলুব্ধ না হলে নানা কৌশলে তাদের হয়রানি করা হতো।
দালাল চক্রের কার্যক্রম বন্ধ না হওয়ায় রোববার র্যাব-১৪ ও র্যাব হেডকোয়ার্টারের একটি দল দালালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ২০ জনকে হাতেনাতে আটক করে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
র্যাব হেডকোয়ার্টারের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের জানান, অভিযানের আগে সিভিল পোশাকে থাকা র্যাব সদস্যদের কাছে দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে দালাল চক্রের সদস্যরা। এছাড়াও পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকেও পাসপোর্ট করে দেওয়ার নাম করে সরকারি ফি ছাড়া বিভিন্ন অংকে টাকা আদায়ের প্রমাণ পায় র্যাব। পরে আটক দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে দালালদের যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮