চঞ্চল,
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ফুয়েল কার্ড বা জ্বালানি কার্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চাপারহাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে এই যাচাই কার্যক্রম চলাকালীন সৃষ্ট সাময়িক ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কার্ডধারীরাই যেন জ্বালানি সুবিধা পান, সেটি নিশ্চিত করতেই এই আকস্মিক তদারকি চালানো হয়। বুধবার বিকেলে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের একটি পাম্পে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান উপস্থিত থেকে নিজে মনিটরিং করেন। এসময় এক ব্যক্তি অন্যের কার্ড ব্যবহার করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হলে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি জানান, কার্ড যাচাইয়ের সময় নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ইউএনও বলেন, “মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে আমাদের কঠোর হতে হয়। সেখানে একটি ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল, যা তাৎক্ষণিকভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বুঝিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।”
স্থানীয়রা জানান, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও অন্যের কার্ড ব্যবহারের প্রবণতা রোধে প্রশাসনের এই সক্রিয় অবস্থান অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার সময় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বনের ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন অনেকে, যাতে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কার্ড জালিয়াতি ও জ্বালানি খাতের অনিয়ম ঠেকাতে এই নজরদারি কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে মাঠপর্যায়ে তদারকির সময় যেন কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ না থাকে, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮