
মো. ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি ।।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী প্রমত্তা বংশী নদীর নাব্যতা হারিয়ে জবর দখলের কারণে এখন সরু খালে পরিণত হয়েছে। নদীর দুইপাশে ঘরবাড়ি, ইটভাটা সহ শত শত অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করেই খালের খননের কাজ চরছে ৷ সুহানীয় প্রভাবশালী মহল অবৈধ ভাবে নদীর পাশে ভরাট করে চাষাবাদ করছে। আবার সুযোগ বুঝে স্হানীয় ঠিকাদাররা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নদী থেকে নির্বিঘ্নে লাখ লাখ টাকার মাটি কেটে নিয়ে ইটভাটায় ও কল-কারখানায় পাচার করছে।
অনুসন্ধানে জানাযায়, উপজেলায় বংশী নদীর শতকরা ৫০ ভাগ জায়গাই এখন বেদখল হয়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী বংশী নদী হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের শাখা। এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪০ কিলোমিটার। বংশী নদীটি জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে শুরু হয়ে টাংগাইল ও গাজীপুর জেলা অতিক্রম করে ঢাকা সহ ৪ টি জেলা ও ১০ টি উপজেলার ওপর দিয়ে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাশ দিয়ে প্রভাহিত হয়ে আমিনবাজারে এসে তুরাগ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
বংশী নদীর কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর হিজলতলী থেকে ধামরাই উপজেলা পর্যন্ত গতিপথের প্রায় ২০ কিলোমিটারই নাব্যতা হারিয়ে সরু খালে পরিণত হয়েছে। দুই দশক আগেও কালিয়াকৈর থেকে ধামরাই ত্রিমোহনা পর্যন্ত নদীপথের দুই ধারে শতাধিক সেচ প্রকল্প চালু ছিল। সুত্রাপুরের উত্তর হিজলতলী, বড়ইতলী,নয়ানগর, ব্রাজ-হিজলতলী, বুলিয়াদী,ডুবাইল, বেগুনবাড়ী সহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর জমি জবরদখল করে অবৈধভাবে ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করায় পানির প্রবাহ ও জমিতে সেচের সুবিধাও বন্ধ হয়ে গেছে।
সরকারী ভাবে বংশী নদী কাউকে লিজ দেওয়া না হলেও স্হানীয় প্রভাবশালী মহল

























