কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দীর্ঘদিন যাবত চুল্লিতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে । ফলে অবৈধ চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে অপরদিকে নষ্ট হচেছ ফসলি জমি । সেইসাথে মানুষের শ্বসকস্ট ও নানাবিধ রোগব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে ।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে , উপজেলার সুত্রাপুর ইউনিয়নের জেলার শেষ সীমানায় টালাবহ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হামিদ ও তার ছোট ভাই মোস্তফার বাঁশ ঝাড়ের ভিতরে ৮ টি অবৈধ চুল্লি স্থাপন করে অবাধে কাঠ পূড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে । দির্ঘদিন যাবত স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় মির্জাপুর উপজেলার আজগানা এলাকার অসাধু কাঠ ব্যবসায়ী মো.হারুন , মজিবুর রহমান ও রেজাউল মিয়া পার্শ্ববতী এলাকায় কাঠ কেটে বনাঞ্চল উজার করে চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ করছে ।
বিশেষ ধরনের চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে বেশী মূল্যে সরবরাহ করে থাকে । তাজা কাঠের মধ্যে একধরনের কেমিক্যাল মিশ্রিত করে চুল্লিতে কাঠ পূড়িয়ে ব্যাপক কালো ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে ।
ফলে দূর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় পরিবেশ মারাত্মক ভাবে দূষিত হচ্ছে । পাশাপাশি ফসল সহ মানুষের শ্বসকস্ট ও নানাবিধ রোগব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে । সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হামিদ বলেন , কয়লার কারখানা বাবদ জমির ভাড়ার টাকা পাচ্ছি । কয়লার ব্যবসায়ী মো.হারুন বলেন , আমি সবকিছু ম্যানেজ করেই কাজ করছি ।
তবে এলাকাবাসী অবৈধ কয়লার চুল্লি বন্ধ করার জন্য বলছে । নবাগত ইউপি সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, অবিলম্বে অবৈধ কয়লার কারখানা বন্ধ করার জন্য জোরদাবি জানাচ্ছি । এলাকাবাসী অবৈধ কয়লার কারখানা বন্ধের প্রতিবাদ করলেও স্থানীয় একটি বিশেষ মহলের দাপটের কারণে কোন প্রতিকার হচ্ছেনা । বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকদিন যাবত উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
এব্যাপারে বুধবার বিকেলে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ বলেন , বিশেষ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ব্যাপারে আমি অবগত , এব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব ।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮