প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ২:০১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২৪, ৯:১১ এ.এম
কমলগঞ্জের চা বাগানে নিজের ফলানো গাছ কেটে বিপাকে চা শ্রমিক জুগেশ।।

মো.সাইদুল ইসলাম
মৌলভীবাজার-প্রতিনিধি।।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানের চা শ্রমিক নিজের ফলানো গাছ বিক্রি করে বিপাকে পড়েছেন জুগেশ রজক নামের এক চা শ্রমিক। ছেলের চিকিৎসার জন্য গাছ বিক্রি করে এখন চুরি মামলায় পড়েছেন। ৭ দিনের সময় বেধে দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের দিনই ঐ চা শ্রমিকের বিরোদ্ধে চুরির মামলা করেছে বাগান কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় চা বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, কুরমা চা বাগানের বড় লাইন এলাকার চা শ্রমিক চুনিলাল রজকের ছেলে জুগেশ রজক চা বাগানের ১৪নং সেকসনের পাশের পরিত্যাক্ত টিলায় প্রায় ১০বছর পূর্বে আকাশমণি গাছ রোপন করেন। বর্তমানে গাছগুলো বিক্রির উপযোগী হয়। সম্প্রতি জুগেশের ছেলে গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করান। তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তার ফলানো বাগান থেকে কয়েকটি গাছ বিক্রি করেন। বিক্রিত গাছ গত ২৯ জানুয়ারি গাছগুলো কাটার পর বাগান কর্তৃপক্ষ কাটা গাছের খন্ডাংশ জব্দ করে। বিনা অনুমতিতে গাছ কাটার ঘটনায় ৩০ জানুয়ারী চা শ্রমিক জুগেশকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করে কুরমা চা বাগান ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। ৭দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সময়সীমা বেধে দিয়ে ঐদিনেই কমলগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে গাছ চুরির অভিযোগ করে বাগান কর্তৃপক্ষ।
আলাপকালে নারদপাষী বলেন, চা শ্রমিক জুগেশ রজক অনাবাধি পরিত্যাক্ত টিলায় গাছ রোপন করেছে। পারিবারি সমস্যা পড়ে দিনদুপুরে গাছ বিক্রি করে আজ সে চুরির মামলায় পড়েছে। মামলার এ ঘটনা চা শ্রমিকরা মেনে নিতে পারছে না। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হউক।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়া জানান, ‘গাছগুলো চা শ্রমিক জুগেশ রজকই রোপন করেছে ও তার গাছ সে কেটেছে। গাছ কাটায় বাগান কর্তৃপক্ষ চুরির মামলা দেওয়াটা দুঃখজনক। বিষয়টি সমাধানে আলোচনা চলছে।’
কুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জানান, অনুমতি ছাড়া চা শ্রমিক কোনো গাছ কাটতে পারে না। তাই চা শ্রমিক জুগেশের বিরোদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২