শওকত আলম, কক্সবাজার,
কক্সবাজারের লিংক রোডে যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ১৮ কেজি গাঁজাসহ এক নারী ও দুই পুরুষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫, কক্সবাজার।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে কক্সবাজার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের উত্তর মুহুরীপাড়া রেলক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্থাপিত চেকপোস্টে তল্লাশিকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআরবি-১৫ সূত্রে জানা যায়, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ব্যাটালিয়নের চৌকস আভিযানিক দল নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে এসআরবি-১৫-এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মুহুরীপাড়া রেলক্রসিং সংলগ্ন আলম মটরসের সামনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত চেকপোস্ট স্থাপন করে।
চেকপোস্টে তল্লাশিকালে রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজারগামী একটি ‘স্টার লাইন’ এসি বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাস থেকে আনুমানিক ১৮ কেজি অবৈধ গাঁজা ও মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি মোবাইল হ্যান্ডসেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারি চক্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এক নারী ও দুই পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বান্দরবান সদর থানাধীন কালাঘাটা এলাকার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে সুলতান আহমদ (৬৪), কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন থাইংখালী জামতলী এলাকার মফিজুর রহমান ও দিলুয়ারা বেগম দম্পতির মেয়ে রাজিয়া বেগম (২৮) এবং ফেনীর সোনাগাজী থানাধীন আড়কাইম এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে নুরুল আমিন (৫০)।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১৫ জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং মাদক সিন্ডিকেটের শিকড় উপড়ে ফেলতে তাদের কঠোর ও সর্বাত্মক অভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮