শওকত আলম, কক্সবাজার:
কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার কম দেখানো, তথ্য গোপন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের পর র্যাব-১৫–এ একযোগে বড় ধরনের গণবদলি করা হয়েছে। অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল হাসানসহ তিন শতাধিক সদস্যকে বদলি করা হয়েছে। তবে র্যাব বলছে—এটি নিয়মিত বদলি কার্যক্রমের অংশ।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ১৯ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় চার শ’র বেশি সদস্যকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়, যাদের বেশির ভাগই র্যাব-১৫–এর সদস্য। একই সঙ্গে অধিনায়ক কামরুল হাসানকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন লে. কর্নেল নেয়ামুল হালিম খান।
বদলির নেপথ্যে রয়েছে কুতুপালং ও টেকনাফে র্যাব-১৫–এর দুটি সমালোচিত অভিযান। সেপ্টেম্বরে কুতুপালংয়ে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তথ্য গোপন, টাকা আত্মসাত ও মামলায় ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই মাসে টেকনাফে এক অভিযানে শীর্ষ মাদককারবারির কাছ থেকে ইট ও কাঠ উদ্ধারের দাবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। দুই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক কামরুল হাসান।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব সদর দপ্তর থেকে তদন্ত দল ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছে। র্যাব জানিয়েছে, তদন্তে কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮