নিউজ ডেস্ক,
দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে নতুন ধারার সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগের কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিক প্রশাসনিক সংস্কার ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে তিনি প্রশংসায় ভাসছেন।
প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রীদের জন্য ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এর মাধ্যমে প্রত্যেক মন্ত্রীর কাজ, দক্ষতা, বাস্তবায়ন ক্ষমতা এবং জনমুখী উদ্যোগ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, পরিবর্তন বা কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
মন্ত্রীদের কার্যক্রম ‘গুড বুক’ ও ‘ব্যাড বুক’-এ নথিভুক্ত হচ্ছে, যেখানে শৃঙ্খলা, দক্ষতা এবং জনগ্রহণযোগ্যতার হিসাব রাখা হচ্ছে। এই কর্মপরিকল্পনার তিনটি প্রধান অগ্রাধিক্য হলো:
দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা
আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন
গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করা
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে আধা লাইট বন্ধ, এসি কম রাখা, সাপ্তাহিক ছুটিতেও অফিস করা এবং ভিআইপি প্রথা বাতিলের মাধ্যমে সরকারি ব্যয় সংকোচন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো জোরদার করার উদাহরণ স্থাপন করেছেন। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত ও দুর্নীতি রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে তিনি আলোচনার কেন্দ্রে। সমর্থকরা বলছেন, তার বাস্তবমুখী নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে প্রটোকল সীমিত করে মাত্র চারজন কর্মকর্তার উপস্থিতি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা কমানো, ব্যয় সাশ্রয় এবং কার্যকর প্রশাসনের বার্তা বহন করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ ও সংস্কারের প্রকৃত মূল্যায়ন নির্ভর করবে ভবিষ্যতে সরকারের অন্যান্য ক্ষেত্রেও বাস্তবমুখী সংস্কার কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয় তার ওপর।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮