Dhaka , Monday, 19 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ভোরবেলায় হাঁটতে গিয়ে হয়রানির অভিযোগ: মাতুয়াইল গ্যাস রোড এলাকায় আতঙ্ক, সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্তের দাবি চট্টগ্রামকে শিক্ষাবান্ধব নগরী গড়তে মেয়র শিক্ষাবৃত্তি অব্যাহত থাকবে দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা নোয়াখালীতে ৪২০ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ; বেসরকারি হাসপাতাল রক্ষায় বড় ধরনের অর্থ লেনদেনর অভিযোগ  পাইকগাছায় দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার; এলাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস গঙ্গাচড়ায় ডিবি পুলিশের রোমহর্ষক অভিযান: কাভার্ড ভ্যান জব্দ নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে টেকনাফে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশ রক্ষায় যৌথ অভিযান, জরিমানা আদায় শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে ঝালকাঠিতে প্রদর্শনী, ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ ও হাদী সন্ধ্যা শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল কালিয়াকৈরে সোনালী সংঘের উদ্যোগে সীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ “রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অফ অনার এর মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ কে চির বিদায়” জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে পাঁচবিবিতে অবস্থান কর্মসূচি মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ২৩ তলা ভবন থেকে পড়ে নরসিংদির রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের যুবক তামিমের মৃত্যু, এখন পরিবার ও একাবাঁশির কান্নার শোকের মাতম। পাইকগাছার আদর্শ লাইব্রেরির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই সহায়তা প্রদান বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এলাকা ভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পাইকগাছার কপিলমুনিতে আরব আমিরাত সরকারের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ২টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সৈকত ভোটের মাঠে আসায় ধানের শীষের পরাজয়ের সম্ভাবনা চরভদ্রাসনে কিশোরীর বাড়ীতে হামলায় প্রধান দুই আসামী চরভদ্রাসন থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার। কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা!  সতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রটকে কঠিন হুশিয়ারি হিলিতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ চরভদ্রাসন থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের দুর্গম চরে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন। রূপগঞ্জের বাঘবের আইডিয়াল হাইস্কুল ও হাজী মোঃ ইদ্রিস আলী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষাসফর অনুষ্ঠিত শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের জাজিরায় ইকরা ক্যাডেট মাদরাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগরি প্রদান ও বাৎসরিক মাহফিল চলমান সংকট নিরসনে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা’র প্রস্তাবনা: নারায়ণগঞ্জে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে ৬ টি অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ মুন্সী বাড়ি নূরানী হাফেজিয়া মাদরাসার শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে হাতির তান্ডবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি – হতাশায় কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:23:39 pm, Saturday, 25 March 2023
  • 261 বার পড়া হয়েছে

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে ভারত থেকে বন্য হাতি নেমে এসেছে এবং গত ২ দিন থেকে সীমান্তের বোর ফসলের উপর চলছে হাতির তান্ডব। এমন পরিস্থিতে সীমান্তের বোর চাষি ও প্রান্তিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ায় আতঙ্কে নিরঘুম রাত কাটাচ্ছে সীমান্তবাসী।

ইতি মধ্যেই বন্য হাতি সীমান্তের বহু জমির ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখে সীমান্তের বাকি কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। সীমান্ত অঞ্চলের কৃষকরা ভাবছে তাদের ফসল ঘরে তুলতে পারবেনা। এ বছর বোর চাষ করতে বিগত বছরের তুলনায় দ্বিগুন খরচ হয়েছে কৃষকের।

কষ্ট অর্জিত উঠতি বোর ফসল বন্য হাতির কারনে ঘরে তুলতে না পারলে সীমাহিন কষ্টের মধ্যে পরবে সীমান্তের কৃষকেরা। গত ২ দিনে সীমান্তের আদিবাসী সম্প্রদায়ের গারো কুচ হাজং সহ আরো অনেক কৃষকের উঠতি বোর ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। ধান খেত বাচাতে কৃষকেরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাত জেগে মশাল জালিয়ে রাত ভর ফসল রক্ষার চেষ্টা করছে। ইতি পূর্বে সীমান্তের কৃষকের ফসল ও ঘর-বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে হাতির পায়ে পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। দির্ঘ দিন থেকেই চলছে বন্য হাতি আর মানুষের মধ্যে চলছে বাচা মরার লড়াই।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্য হাতির এই তান্ডব চলছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের এই বিপর্যয়ের মধ্যে মানুষ এমনিতেই চরম দূর্ভোগে রয়েছে এর মধ্যে আবার বন্য হাতির তান্ডবে সীমান্তবাসীর জীবন হতাশা ও সংকিত করে তুলেছে। দীর্ঘ সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে বন্য হাতির তান্ডবে প্রাণহানী, পুঙ্গত্ব, বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। অনেক পরিবারের লোকজন প্রাণহানীর ভয়ে অন্যত্রে পারি জমিয়েছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র পরিবারের লোকজন ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা বাপ দাদার ভিটে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোন সুযোগ না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অত্র সীমান্ত অঞ্চলেই বসবাস করছে।

এই সীমান্তবাসীর উৎপাদন কৃত ফসল প্রায়ই হাতির খুরাক হয়। উৎপদন করেও কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারে না। পাকা ধান কাটার সময় নেমে আসে ভারত থেকে বন্য হাতির দল। এই সমস্ত বন্য হাতির দলের তান্ডবে তাদের উৎপাদিত ফসল সহ ঘর বাড়ির ক্ষয় ক্ষতি করার সময় লোকজন তাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবন দিতে হয়। তার পরেও সীমান্তবাসীর উপায় না থাকায় জীবন মরণের ঝুকি নিয়েই বসবাস করতে হচ্ছে সীমান্তে। তাই সীমান্ত বাসীর দাবি তাদের জান মাল রক্ষায় সরকারি ভাবে সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। যদি তা না করা হয় ভারত থেকে নেমে আসা বন্য হাতির তান্ডবে মানুষের জান মাল রক্ষা করার কোন উপায় নেই। প্রায় এক যুগ ধরে অর্ধশত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে শতাধিক বেক্তি পুঙ্গত্ব বরণ করেছে। এছাড়া কোটি কোটি টাকার কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ক্ষতি সাধন করে চলেছে বন্য হাতির দল। রক্ষা করার কোন উপায় নেই!

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোরবেলায় হাঁটতে গিয়ে হয়রানির অভিযোগ: মাতুয়াইল গ্যাস রোড এলাকায় আতঙ্ক, সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্তের দাবি

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে হাতির তান্ডবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি – হতাশায় কৃষক

আপডেট সময় : 09:23:39 pm, Saturday, 25 March 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে ভারত থেকে বন্য হাতি নেমে এসেছে এবং গত ২ দিন থেকে সীমান্তের বোর ফসলের উপর চলছে হাতির তান্ডব। এমন পরিস্থিতে সীমান্তের বোর চাষি ও প্রান্তিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ায় আতঙ্কে নিরঘুম রাত কাটাচ্ছে সীমান্তবাসী।

ইতি মধ্যেই বন্য হাতি সীমান্তের বহু জমির ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখে সীমান্তের বাকি কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। সীমান্ত অঞ্চলের কৃষকরা ভাবছে তাদের ফসল ঘরে তুলতে পারবেনা। এ বছর বোর চাষ করতে বিগত বছরের তুলনায় দ্বিগুন খরচ হয়েছে কৃষকের।

কষ্ট অর্জিত উঠতি বোর ফসল বন্য হাতির কারনে ঘরে তুলতে না পারলে সীমাহিন কষ্টের মধ্যে পরবে সীমান্তের কৃষকেরা। গত ২ দিনে সীমান্তের আদিবাসী সম্প্রদায়ের গারো কুচ হাজং সহ আরো অনেক কৃষকের উঠতি বোর ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। ধান খেত বাচাতে কৃষকেরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাত জেগে মশাল জালিয়ে রাত ভর ফসল রক্ষার চেষ্টা করছে। ইতি পূর্বে সীমান্তের কৃষকের ফসল ও ঘর-বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে হাতির পায়ে পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। দির্ঘ দিন থেকেই চলছে বন্য হাতি আর মানুষের মধ্যে চলছে বাচা মরার লড়াই।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্য হাতির এই তান্ডব চলছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের এই বিপর্যয়ের মধ্যে মানুষ এমনিতেই চরম দূর্ভোগে রয়েছে এর মধ্যে আবার বন্য হাতির তান্ডবে সীমান্তবাসীর জীবন হতাশা ও সংকিত করে তুলেছে। দীর্ঘ সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে বন্য হাতির তান্ডবে প্রাণহানী, পুঙ্গত্ব, বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। অনেক পরিবারের লোকজন প্রাণহানীর ভয়ে অন্যত্রে পারি জমিয়েছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র পরিবারের লোকজন ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা বাপ দাদার ভিটে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোন সুযোগ না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অত্র সীমান্ত অঞ্চলেই বসবাস করছে।

এই সীমান্তবাসীর উৎপাদন কৃত ফসল প্রায়ই হাতির খুরাক হয়। উৎপদন করেও কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারে না। পাকা ধান কাটার সময় নেমে আসে ভারত থেকে বন্য হাতির দল। এই সমস্ত বন্য হাতির দলের তান্ডবে তাদের উৎপাদিত ফসল সহ ঘর বাড়ির ক্ষয় ক্ষতি করার সময় লোকজন তাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবন দিতে হয়। তার পরেও সীমান্তবাসীর উপায় না থাকায় জীবন মরণের ঝুকি নিয়েই বসবাস করতে হচ্ছে সীমান্তে। তাই সীমান্ত বাসীর দাবি তাদের জান মাল রক্ষায় সরকারি ভাবে সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। যদি তা না করা হয় ভারত থেকে নেমে আসা বন্য হাতির তান্ডবে মানুষের জান মাল রক্ষা করার কোন উপায় নেই। প্রায় এক যুগ ধরে অর্ধশত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে শতাধিক বেক্তি পুঙ্গত্ব বরণ করেছে। এছাড়া কোটি কোটি টাকার কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ক্ষতি সাধন করে চলেছে বন্য হাতির দল। রক্ষা করার কোন উপায় নেই!