Dhaka , Saturday, 7 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টায় শক্ত হাতে প্রতিরোধের আহ্বান জামায়াত আমিরের ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলায় চৌরঙ্গী বাজারে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে  রামগঞ্জে পুলিশের দাপট, বেড়া দিয়ে একমাস যাবত অবরুদ্ধ করে রেখেছে একটি পরিবার সকলকে সম্পৃক্ত করে  হাটহাজারীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই:- মীর হেলাল। আলেম সমাজ বিএনপির পাশে, ব্যালেটেই মিলবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রমাণ: সালাহউদ্দিন আহমদ শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে ছাত্র-জনতার অবস্থান উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ফলক উদ্ধার ঈদগাঁওতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী আটক শ্রীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু কলোনি’ নয় এখন থেকে ‘শহীদ শাহজাহান নিবাস’; ভাড়াটিয়া প্রার্থী দিয়ে লালমনিরহাটকে অপমান করা হয়েছে: আসাদুল হাবিব দুলু ইবিতে বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি ও সমাবেশ ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফ নাকি জুলুমের পথে চলবে: আল্লামা মামুনুল হক রূপগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ চন্দনাইশে দোহাজারীতে অবৈধ রোহিঙ্গা কলোনীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৪৫ জন নারী পুরুষ আটক বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দেশ দুর্নীতিতে ৫বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম আগামীকাল শুক্রবার ঝালকাঠি আসছেন জামায়াত আমির, অর্ধলক্ষাধিক মানুষের জনসমাগমের প্রস্তুতি আশুলিয়ায় ৭ হত্যার ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল রায়: ৬ মৃত্যুদণ্ড, ৮ সাজা তুরাগ নদে শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসন: বিষাক্ত পানিতে দুর্বল মাছ, সহজ শিকারে জেলেদের হিড়িক মধুপুরে বিএনপির এমপি প্রার্থী স্বপন ফকিরের গণমিছিল নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ চারজন আটক নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় গণজোয়ার। কেউ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে—মাও: আবুল কালাম আজাদ পাইকগাছা-কয়রায় জেলা ওলামা দলের ধানের শীষের জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ফ্রান্স দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলরের সাথে মতবিনিময়কালে ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে গারোদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. কাফি বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী’র ছালেহ্ আহমেদ এর শেষ বিদায়” নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান:- বেতার–টেলিভিশন ও সংস্কৃতির কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ ২ দুস্কৃতিকারী আটক

লালমনিরহাটের আমূল পরিবর্তনে অধ্যক্ষ দুলুর ১১ দফা ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’: ব্যাপক আলোড়ন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:13:55 pm, Friday, 23 January 2026
  • 44 বার পড়া হয়েছে

চঞ্চল,

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার। শুক্রবার রাত ১টার দিকে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে তিনি ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’ শিরোনামে এই উন্নয়ন রূপরেখা প্রকাশ করেন। লালমনিরহাটের সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে তৈরি করা এই ১১ দফার পরিকল্পনাটি জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এক নজরে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর পরিচয়:

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটের এক প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম মিঞার সন্তান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইতিপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেতু বিভাগ, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই”-এর প্রধান সমন্বয়ক।

অধ্যক্ষ দুলুর ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’র বিস্তারিত ১১ দফা:

অধ্যক্ষ দুলু তাঁর ইশতেহারে লালমনিরহাট সদরের আধুনিকায়নে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ক্রমানুসারে নিচে তুলে ধরা হলো:

১. কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন: বেকারত্ব দূর করতে সদর কেন্দ্রিক যুব স্কিল ডেভেলপমেন্ট, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হবে। স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায় যুবকদের অগ্রাধিকারমূলক নিয়োগ এবং প্রবাসীদের জন্য দালালমুক্ত সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করার মাধ্যমে “চাকরির জন্য ঢাকা নয়—লালমনিরহাটেই সুযোগ” সৃষ্টি করা হবে।

২. কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি: ধানের পাশাপাশি ভুট্টা, সবজি ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি ক্রয়কেন্দ্র কার্যকর করা এবং কৃষি উপকরণ সরবরাহ থেকে সিন্ডিকেট নির্মূলের অঙ্গীকার করা হয়েছে। কারণ, “কৃষক বাঁচলে, লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাঁচবে”।

৩. তিস্তা ও নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা: তিস্তা নদী রক্ষা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হবে। বন্যা, খরা ও নদী ভাঙন রোধে কার্যকর খনন ব্যবস্থা এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা: “বিনা চিকিৎসায় কোনো মৃত্যু নয়”—এই লক্ষ্য নিয়ে সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

৫. শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং কারিগরি ও বিজ্ঞান শিক্ষায় আধুনিকায়ন করা হবে। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা হবে।

৬. যোগাযোগ, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: মোগলহাট স্থলবন্দর পুনস্থাপন ও আধুনিকায়ন করে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। সড়ক, রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন এবং ইকোনমিক জোনে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানো হবে।

৭. ডিজিটাল লালমনিরহাট: ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত হাই-স্পিড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া এবং পাবলিক স্পেসে ডিজিটাল অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাম থেকেই যুবকদের গ্লোবাল জগতের সাথে যুক্ত করা হবে।

৮. পরিকল্পিত নগরায়ন ও অবকাঠামো: সদর শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টেকসই রাস্তাঘাট ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হবে। কৃষিজমি রক্ষা করে আবাসন পরিকল্পনা এবং শিশুদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ কেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

৯. সুশাসন ও নাগরিক অধিকার: থানায় হয়রানি বন্ধ, ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং নিয়মিত নাগরিক সংলাপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়া হবে।

১০. নারী ও সামাজিক নিরাপত্তা: নারী উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ প্রদান, বিধবা-প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

১১. আলোকিত লালমনিরহাট ও সামাজিক প্রতিরোধ: মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, এসিড নিক্ষেপ, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও জুয়াসহ সকল সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর এই নির্বাচনী রূপরেখাকে লালমনিরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট সদর হবে দেশের অন্যতম উন্নত ও স্মার্ট একটি জনপদ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টায় শক্ত হাতে প্রতিরোধের আহ্বান জামায়াত আমিরের

লালমনিরহাটের আমূল পরিবর্তনে অধ্যক্ষ দুলুর ১১ দফা ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’: ব্যাপক আলোড়ন

আপডেট সময় : 06:13:55 pm, Friday, 23 January 2026

চঞ্চল,

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার। শুক্রবার রাত ১টার দিকে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে তিনি ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’ শিরোনামে এই উন্নয়ন রূপরেখা প্রকাশ করেন। লালমনিরহাটের সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে তৈরি করা এই ১১ দফার পরিকল্পনাটি জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এক নজরে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর পরিচয়:

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটের এক প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম মিঞার সন্তান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইতিপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেতু বিভাগ, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই”-এর প্রধান সমন্বয়ক।

অধ্যক্ষ দুলুর ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’র বিস্তারিত ১১ দফা:

অধ্যক্ষ দুলু তাঁর ইশতেহারে লালমনিরহাট সদরের আধুনিকায়নে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ক্রমানুসারে নিচে তুলে ধরা হলো:

১. কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন: বেকারত্ব দূর করতে সদর কেন্দ্রিক যুব স্কিল ডেভেলপমেন্ট, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হবে। স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায় যুবকদের অগ্রাধিকারমূলক নিয়োগ এবং প্রবাসীদের জন্য দালালমুক্ত সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করার মাধ্যমে “চাকরির জন্য ঢাকা নয়—লালমনিরহাটেই সুযোগ” সৃষ্টি করা হবে।

২. কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি: ধানের পাশাপাশি ভুট্টা, সবজি ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি ক্রয়কেন্দ্র কার্যকর করা এবং কৃষি উপকরণ সরবরাহ থেকে সিন্ডিকেট নির্মূলের অঙ্গীকার করা হয়েছে। কারণ, “কৃষক বাঁচলে, লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাঁচবে”।

৩. তিস্তা ও নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা: তিস্তা নদী রক্ষা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হবে। বন্যা, খরা ও নদী ভাঙন রোধে কার্যকর খনন ব্যবস্থা এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা: “বিনা চিকিৎসায় কোনো মৃত্যু নয়”—এই লক্ষ্য নিয়ে সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

৫. শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং কারিগরি ও বিজ্ঞান শিক্ষায় আধুনিকায়ন করা হবে। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা হবে।

৬. যোগাযোগ, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: মোগলহাট স্থলবন্দর পুনস্থাপন ও আধুনিকায়ন করে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। সড়ক, রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন এবং ইকোনমিক জোনে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানো হবে।

৭. ডিজিটাল লালমনিরহাট: ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত হাই-স্পিড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া এবং পাবলিক স্পেসে ডিজিটাল অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাম থেকেই যুবকদের গ্লোবাল জগতের সাথে যুক্ত করা হবে।

৮. পরিকল্পিত নগরায়ন ও অবকাঠামো: সদর শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টেকসই রাস্তাঘাট ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হবে। কৃষিজমি রক্ষা করে আবাসন পরিকল্পনা এবং শিশুদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ কেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

৯. সুশাসন ও নাগরিক অধিকার: থানায় হয়রানি বন্ধ, ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং নিয়মিত নাগরিক সংলাপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়া হবে।

১০. নারী ও সামাজিক নিরাপত্তা: নারী উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ প্রদান, বিধবা-প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

১১. আলোকিত লালমনিরহাট ও সামাজিক প্রতিরোধ: মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, এসিড নিক্ষেপ, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও জুয়াসহ সকল সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর এই নির্বাচনী রূপরেখাকে লালমনিরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট সদর হবে দেশের অন্যতম উন্নত ও স্মার্ট একটি জনপদ।