Dhaka , Monday, 9 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রূপগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ ও গণমিছিলে মানুষের ঢল ভোটের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত সকলকে জাগ্রত সৈনিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। মাহবুব ভুঁয়া জুলাই যোদ্ধা, তাকে ভোট দিলে রামগঞ্জের উন্নয়ন হবে না: শাহাদাত হোসেন সেলিম লালমনিরহাটে ধানের শীষের সমর্থনে ভোটার মিছিল: হাজার হাজার পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সংহতি রূপগঞ্জে বিএনপির ৩০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান শরীয়তপুরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত-২০ মধুপুরে জামায়াতে ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরাপদ করতে ৩৮ টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে :-মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজনীতি বাদ দিলে কি একটি পরিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হয়? খুরুশকুলে সেনাবাহিনীর ঝটিকা অভিযান: দেশীয় অস্ত্র ও ওয়াকি-টকিসহ দুই সহোদর আটক পাঁচবিবিতে ৪০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপেক্ষা সিঁড়ি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নগরীতে অস্ত্র,কার্তুজসহ এক সন্ত্রাসী গ্রেফতার আগাছা থেকে কাগজ উদ্ভাবনে করল চবি শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম ১১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী পক্ষে এ্যাব’র নির্বাচনী প্রচারণা গণমাধ্যম কর্মীদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় সাঈদ আল নোমানের রূপগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে ভোটের মাঠে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণে সরগরম এলাকা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, জোরালো হলো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঢাকায় তৈরি হবে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ: তারেক রহমান মনসুরনগরে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা মনসুরনগরে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা রূপগঞ্জে দাঁড়িপাল্লা মার্কার পক্ষে বিশাল গন মিছিল লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় লক্ষ্যে ০৯নং ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডে বিশাল উঠান বৈঠক। লক্ষ্মীপুর-২ আসন: রায়পুরের ৯নং ইউনিয়নে ধানের শীষের সমর্থনে বিশাল গণমিছিল, নেতৃত্বে মিজান হাওলাদার মধুপুরে মেম্বার কল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে ধানের শীষের মিছিল অনুষ্ঠিত মধুপুরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮৯ ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় মধুপুরে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করলেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফী খুলনায় পোলিং এজেন্টদের মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি   ৮ বিঘা জমি দখলে এসিআই সল্ট, নীরব প্রশাসন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:15:39 pm, Thursday, 11 September 2025
  • 41 বার পড়া হয়েছে
মোঃ আবু কাওছার মিঠু, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলখালী এলাকায় এসিআই সল্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসিআই সল্ট রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে পাউবোর ২২১ শতাংশ জমি দখল করে কারখানা পরিচালনা করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এসিআই সল্ট লবন কোম্পানিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৮ বিঘা জমি দখল করেছে। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানিটি স্থানীয় প্রভাবশালী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাসের মাধ্যমে  ও নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে এই জমি দখল করেছে। এছাড়াও, তারা লবণ উৎপাদনের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে বলেও অভিযোগ আছে। স্থানীয়দের দাবি,লবণের কণা বাতাসে মিশে আশপাশের ঘরবাড়ির টিনে মরিচা ধরে যাচ্ছে এবং কৃষিজমিতে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এত গুরুতর পরিবেশ দূষণের পরও রহস্যজনকভাবে পরিবেশ অধিদপ্তর বারবার এসিআই সল্টের কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করে যাচ্ছে। অধিদপ্তর দাবি করছে, সব শর্ত পূরণ হলে তবেই লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবে কারখানার কার্যক্রম কোনো শর্তই মানছে না।
কারখানার কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তি আগের মতোই আছে। লবণাক্ততার কারণে টিনের চালা নষ্ট হওয়া, ফসলি জমির ক্ষতি এবং নদীর পানি দূষণের ফলে মাছ মরে যাওয়ার ঘটনা এখনও ঘটছে।
স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপের কারণে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এই ঘটনায় নতুন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। বরং, স্থানীয় মানুষ, পরিবেশ এবং সরকারি সম্পত্তি—সবই এসিআই সল্টের কারখানার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে।পরিবেশ দূষণ এবং জনজীবনের ওপর প্রভাব এসিআই সল্টের কারখানার কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনগণের জীবনযাত্রার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোম্পানিটি লবণ উৎপাদনের বর্জ্য সরাসরি শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দিচ্ছে। এতে নদীর মিঠা পানি লবণাক্ত হয়ে পড়ছে, যা নদীর জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন যে, লবণাক্ততার কারণে নদীর মাছ মারা যাচ্ছে এবং তাদের জীবিকা হুমকিতে পড়ছে। কারখানার বর্জ্য এবং লবণাক্ত পানি আশপাশের ফসলি জমিতে ছড়িয়ে পড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, আগে যে পরিমাণ ফসল হতো, এখন তা হচ্ছে না। কারখানার লবণ গুঁড়ো বাতাসে মিশে আশেপাশের বাড়িঘরের টিনের চালায় জমছে, যার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই টিনে মরিচা ধরে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার ঘর সংস্কার করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আইন অনুযায়ী
২০০০ সালে পাউবোর মালিকানাধীন যদি কোনো জমি বা সম্পদ অবৈধভাবে দখল করা বা তাতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই ধরনের অপরাধের জন্য দখলদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০ এই অধ্যাদেশ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে, তবে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। পাউবোর সম্পত্তিও এই আইনের আওতাভুক্ত।
এসিআই সল্ট লবন কোম্পানির ব্যবস্থাপক নিয়ামুল বাড়ি বলেন,এসিআই সল্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বৈধভাবে জমি লিজ নিয়েছে। তবে এই দাবির সাপেক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেনি তারা।
রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জয় বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে যদি আমাদেরকে চিঠি ইস্যু করে থাকে তাহলে আমরা সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার  করার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রকিবুল আলম রাজিব     বলেন, এসিআই সল্ট লবন কোম্পানিটি
পানি উন্নয়ন বোর্ডে লিজ নবায়ন করার জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিছু পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কোন ধরনের লিজ নবায়ন করা হয়নি। যদি লিজ কৃত সম্পত্তির মধ্যে স্থায়ী কোন ভবন নির্মাণ করা হয়ে থাকে তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি   ৮ বিঘা জমি দখলে এসিআই সল্ট, নীরব প্রশাসন

আপডেট সময় : 07:15:39 pm, Thursday, 11 September 2025
মোঃ আবু কাওছার মিঠু, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলখালী এলাকায় এসিআই সল্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসিআই সল্ট রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে পাউবোর ২২১ শতাংশ জমি দখল করে কারখানা পরিচালনা করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এসিআই সল্ট লবন কোম্পানিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৮ বিঘা জমি দখল করেছে। অভিযোগ উঠেছে কোম্পানিটি স্থানীয় প্রভাবশালী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাসের মাধ্যমে  ও নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে এই জমি দখল করেছে। এছাড়াও, তারা লবণ উৎপাদনের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে বলেও অভিযোগ আছে। স্থানীয়দের দাবি,লবণের কণা বাতাসে মিশে আশপাশের ঘরবাড়ির টিনে মরিচা ধরে যাচ্ছে এবং কৃষিজমিতে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এত গুরুতর পরিবেশ দূষণের পরও রহস্যজনকভাবে পরিবেশ অধিদপ্তর বারবার এসিআই সল্টের কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করে যাচ্ছে। অধিদপ্তর দাবি করছে, সব শর্ত পূরণ হলে তবেই লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবে কারখানার কার্যক্রম কোনো শর্তই মানছে না।
কারখানার কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তি আগের মতোই আছে। লবণাক্ততার কারণে টিনের চালা নষ্ট হওয়া, ফসলি জমির ক্ষতি এবং নদীর পানি দূষণের ফলে মাছ মরে যাওয়ার ঘটনা এখনও ঘটছে।
স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপের কারণে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এই ঘটনায় নতুন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। বরং, স্থানীয় মানুষ, পরিবেশ এবং সরকারি সম্পত্তি—সবই এসিআই সল্টের কারখানার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে।পরিবেশ দূষণ এবং জনজীবনের ওপর প্রভাব এসিআই সল্টের কারখানার কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনগণের জীবনযাত্রার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোম্পানিটি লবণ উৎপাদনের বর্জ্য সরাসরি শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দিচ্ছে। এতে নদীর মিঠা পানি লবণাক্ত হয়ে পড়ছে, যা নদীর জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন যে, লবণাক্ততার কারণে নদীর মাছ মারা যাচ্ছে এবং তাদের জীবিকা হুমকিতে পড়ছে। কারখানার বর্জ্য এবং লবণাক্ত পানি আশপাশের ফসলি জমিতে ছড়িয়ে পড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, আগে যে পরিমাণ ফসল হতো, এখন তা হচ্ছে না। কারখানার লবণ গুঁড়ো বাতাসে মিশে আশেপাশের বাড়িঘরের টিনের চালায় জমছে, যার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই টিনে মরিচা ধরে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার ঘর সংস্কার করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আইন অনুযায়ী
২০০০ সালে পাউবোর মালিকানাধীন যদি কোনো জমি বা সম্পদ অবৈধভাবে দখল করা বা তাতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই ধরনের অপরাধের জন্য দখলদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০ এই অধ্যাদেশ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে, তবে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। পাউবোর সম্পত্তিও এই আইনের আওতাভুক্ত।
এসিআই সল্ট লবন কোম্পানির ব্যবস্থাপক নিয়ামুল বাড়ি বলেন,এসিআই সল্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বৈধভাবে জমি লিজ নিয়েছে। তবে এই দাবির সাপেক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেনি তারা।
রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জয় বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে যদি আমাদেরকে চিঠি ইস্যু করে থাকে তাহলে আমরা সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার  করার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রকিবুল আলম রাজিব     বলেন, এসিআই সল্ট লবন কোম্পানিটি
পানি উন্নয়ন বোর্ডে লিজ নবায়ন করার জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিছু পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কোন ধরনের লিজ নবায়ন করা হয়নি। যদি লিজ কৃত সম্পত্তির মধ্যে স্থায়ী কোন ভবন নির্মাণ করা হয়ে থাকে তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।