Dhaka , Monday, 19 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এলাকা ভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পাইকগাছার কপিলমুনিতে আরব আমিরাত সরকারের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ২টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সৈকত ভোটের মাঠে আসায় ধানের শীষের পরাজয়ের সম্ভাবনা চরভদ্রাসনে কিশোরীর বাড়ীতে হামলায় প্রধান দুই আসামী চরভদ্রাসন থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার। কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা!  সতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রটকে কঠিন হুশিয়ারি হিলিতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ চরভদ্রাসন থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের দুর্গম চরে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন। রূপগঞ্জের বাঘবের আইডিয়াল হাইস্কুল ও হাজী মোঃ ইদ্রিস আলী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষাসফর অনুষ্ঠিত শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের জাজিরায় ইকরা ক্যাডেট মাদরাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগরি প্রদান ও বাৎসরিক মাহফিল চলমান সংকট নিরসনে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা’র প্রস্তাবনা: নারায়ণগঞ্জে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে ৬ টি অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ মুন্সী বাড়ি নূরানী হাফেজিয়া মাদরাসার শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গণভোট ২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে কক্সবাজারে সভা ও প্রচার কার্যক্রম লক্ষ্মীপুরে জামায়াত বিএনপি সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা হরিপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র উপজেলা কার্যালয় উদ্বোধন নোয়াখালীতে ৬ মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা, ডাকাত আখ্যা দিয়ে মিষ্টি বিতরণ পাবনায় দুটি অস্ত্র, গুলি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ আটক- ১ সিদ্ধিরগঞ্জে ক্যানেল থেকে ড্রামভর্তি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে যুবকের আত্মহত্যা গাজীপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিলো প্রশাসন- কনের বাবাকে কারাদণ্ড খালেদা জিয়া ছিলেন জাতির ঐক্যের আহ্বায়ক: সাভারে আমান উল্লাহ আমান পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে তিন সহস্রাধিক দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাইকগাছায় সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে কাঠ বোঝাই ভ্যান উল্টে চালক নিহত নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ চন্দনাইশে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

মেহেরপুরে ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ! 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:47:30 am, Sunday, 30 March 2025
  • 121 বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 45;

মাজিদ আল মামুন, মেহেরপুর:
মেহেরপুরে মাংস ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গরু ক্রয়, জবেহ ও মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অধিকাংশ লোকজন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর আসলেই কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক মাংসের মূল্য বৃদ্ধি করা ও ঈদে ৭/৮ হাজার টাকার মাংস কেনার সক্ষমতা না থাকায় মেহেরপুরের অধিকাংশ লোকজন এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ), সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুরের সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে গরু জবেহ ও মাংস ভাগাভাগির দৃশ্য চোখে মেলে।
শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয় বরং মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন এ  উদ্যোগ নিয়েছেন।
মেহেরপুরে গত ২ বছর ধরে এমন দৃশ্য চোখে মিলছে। ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নিজেরাই কেন এমন উদ্যোগ নিয়েছেন এমন প্রশ্নে মাংস সমিতির সদস্যরা জানান, ঈদ আসলেই অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা মাংস মূল্য বৃদ্ধি করে দেয়। এতে করে অনেকেই বেশি মূল্যে মাংস কিনে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনা। তাছাড়া বেশি মাংস কেনার সামর্থ্যও অনেকের থাকেনা। যার কারণে ঈদুল ফিতর শেষ হলেই পরবর্তী বছরের জন্য প্রথমে ৫’শ টাকা জমা দিয়ে সদস্য হতে হয় মাংস সমিতির। পরবর্তীতে প্রতি সপ্তাহে প্রতি সদস্য একজন নির্দিষ্ট সদস্যের কাছে ১’শ থেকে ১’শ ৫০ টাকা করে জমা রাখেন। এভাবে প্রায় ৫০ সপ্তাহ ধরে টাকা জমা দিয়ে থাকেন। পরে ঈদুল ফিতরের ৮/১০ দিন পূর্বে ঐ টাকা দিয়ে গরু ক্রয় করে থাকেন। যারা ১’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা ১ লক্ষ ৩৫/৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেন। আর যারা ১’শ ৫০ টাকা বা ২’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা বড় ও বেশি মূল্যের গরু ক্রয় করে থাকেন। যা ঈদের ১ সপ্তাহ পূর্ব থেকে ঈদের পূর্বের দিন পর্যন্ত জবেহ করা হয়ে থাকে। আর মাংস সমিতির সদস্যের অধিকাংশই নারী সদস্য। অবশ্য পুরুষ সদস্যরাও এ সমিতি করে থাকে। প্রতিটা সমিতিতে ১০/১৫ এমনকি ২০/৩০ জন সদস্যও রয়েছে। অধিকাংশ গ্রামে ৫/১০ টি এমন সমিতি রয়েছে। এসব সমিতির সদস্যরাই নিজ উদ্যোগে এসব গরু জবেহ করে তা ভাগাভাগি করে থাকে। অনেকে ঝামেলা এড়াতে কসাইকে ৩ হাজার টাকা, কোন কোন এলাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে কসাইয়ের মাধ্যমে এসব গরু জবেহ করে কাটাছেঁড়া করে থাকে।
মাংস সমিতির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী গরু জবেহ ও ভাগাভাগির মধ্যেও অনেক আনন্দ রয়েছে। কেউ বলেন বনভোজনের মতো, কেউ বা বলেন ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ।
সাধারণত মহিলা সদস্যরা ভুঁড়ি কাটা ধোয়ার কাজ করেন এবং পুরুষ সদস্যরা মাংস ভাগাভাগি ও বিলি করে থাকেন।
মাইলমারী গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, গত ২ বছর ধরে এ গ্রামে এমন উৎসব চলে আসছে। এতে করে জনসাধারণকে মাংস কেনার টাকা যোগানে টেনশন করতে হচ্ছে না। ধনী-গরিব সকলেই এ সমিতির মাধ্যমে ১২/১৮ কেজি করে মাংস পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধের ন্যায় ৫০ সপ্তাহে টাকা গুনতে হচ্ছে সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা। যে মাংস ব্যবসায়ীর কাছে কিনতে গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হাফেজ উদ্দীন জানান, এ সমিতির মাধ্যমে সকলে খুব সহজেই ১০/১২ কেজি মাংস পাচ্ছে। সমিতি ব্যতিরেকে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০/১২ কেজি মাংস কেনার সামর্থ্য অনেকেরই থাকেনা।
আজান গ্রামের মাহাবুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামে এমন ৯/১০ টি সমিতি রয়েছে।
সাহারবাটী গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে এমন দেখা যায়নি তবে গত ২ বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই সমিতির মাধ্যমে গরু ক্রয় করে তা ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে এ সমিতি চালু হওয়ায় অধিকাংশ কসাইয়ের মাথায় হাত! ঈদ এলেই দাম বাড়িয়ে ৮’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও এবারে হয়তো তা সম্ভব হবেনা। কারণ প্রতিটা গ্রামেই অসংখ্য মাংস সমিতি রয়েছে সুতরাং কসাইদের কাছে মাংস কেনার লোকজন তেমন একটা নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছরে প্রতিটা গ্রামে কসাইগণ ২/৪ টা গরু মহিষ জবেহ করার প্রচারণার মাইকিং করলেও  এবারে তেমন একটা প্রচারণা কানে আসেনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এলাকা ভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

মেহেরপুরে ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ! 

আপডেট সময় : 10:47:30 am, Sunday, 30 March 2025
মাজিদ আল মামুন, মেহেরপুর:
মেহেরপুরে মাংস ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গরু ক্রয়, জবেহ ও মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অধিকাংশ লোকজন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর আসলেই কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক মাংসের মূল্য বৃদ্ধি করা ও ঈদে ৭/৮ হাজার টাকার মাংস কেনার সক্ষমতা না থাকায় মেহেরপুরের অধিকাংশ লোকজন এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ), সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুরের সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে গরু জবেহ ও মাংস ভাগাভাগির দৃশ্য চোখে মেলে।
শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয় বরং মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন এ  উদ্যোগ নিয়েছেন।
মেহেরপুরে গত ২ বছর ধরে এমন দৃশ্য চোখে মিলছে। ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নিজেরাই কেন এমন উদ্যোগ নিয়েছেন এমন প্রশ্নে মাংস সমিতির সদস্যরা জানান, ঈদ আসলেই অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা মাংস মূল্য বৃদ্ধি করে দেয়। এতে করে অনেকেই বেশি মূল্যে মাংস কিনে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনা। তাছাড়া বেশি মাংস কেনার সামর্থ্যও অনেকের থাকেনা। যার কারণে ঈদুল ফিতর শেষ হলেই পরবর্তী বছরের জন্য প্রথমে ৫’শ টাকা জমা দিয়ে সদস্য হতে হয় মাংস সমিতির। পরবর্তীতে প্রতি সপ্তাহে প্রতি সদস্য একজন নির্দিষ্ট সদস্যের কাছে ১’শ থেকে ১’শ ৫০ টাকা করে জমা রাখেন। এভাবে প্রায় ৫০ সপ্তাহ ধরে টাকা জমা দিয়ে থাকেন। পরে ঈদুল ফিতরের ৮/১০ দিন পূর্বে ঐ টাকা দিয়ে গরু ক্রয় করে থাকেন। যারা ১’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা ১ লক্ষ ৩৫/৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেন। আর যারা ১’শ ৫০ টাকা বা ২’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা বড় ও বেশি মূল্যের গরু ক্রয় করে থাকেন। যা ঈদের ১ সপ্তাহ পূর্ব থেকে ঈদের পূর্বের দিন পর্যন্ত জবেহ করা হয়ে থাকে। আর মাংস সমিতির সদস্যের অধিকাংশই নারী সদস্য। অবশ্য পুরুষ সদস্যরাও এ সমিতি করে থাকে। প্রতিটা সমিতিতে ১০/১৫ এমনকি ২০/৩০ জন সদস্যও রয়েছে। অধিকাংশ গ্রামে ৫/১০ টি এমন সমিতি রয়েছে। এসব সমিতির সদস্যরাই নিজ উদ্যোগে এসব গরু জবেহ করে তা ভাগাভাগি করে থাকে। অনেকে ঝামেলা এড়াতে কসাইকে ৩ হাজার টাকা, কোন কোন এলাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে কসাইয়ের মাধ্যমে এসব গরু জবেহ করে কাটাছেঁড়া করে থাকে।
মাংস সমিতির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী গরু জবেহ ও ভাগাভাগির মধ্যেও অনেক আনন্দ রয়েছে। কেউ বলেন বনভোজনের মতো, কেউ বা বলেন ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ।
সাধারণত মহিলা সদস্যরা ভুঁড়ি কাটা ধোয়ার কাজ করেন এবং পুরুষ সদস্যরা মাংস ভাগাভাগি ও বিলি করে থাকেন।
মাইলমারী গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, গত ২ বছর ধরে এ গ্রামে এমন উৎসব চলে আসছে। এতে করে জনসাধারণকে মাংস কেনার টাকা যোগানে টেনশন করতে হচ্ছে না। ধনী-গরিব সকলেই এ সমিতির মাধ্যমে ১২/১৮ কেজি করে মাংস পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধের ন্যায় ৫০ সপ্তাহে টাকা গুনতে হচ্ছে সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা। যে মাংস ব্যবসায়ীর কাছে কিনতে গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হাফেজ উদ্দীন জানান, এ সমিতির মাধ্যমে সকলে খুব সহজেই ১০/১২ কেজি মাংস পাচ্ছে। সমিতি ব্যতিরেকে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০/১২ কেজি মাংস কেনার সামর্থ্য অনেকেরই থাকেনা।
আজান গ্রামের মাহাবুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামে এমন ৯/১০ টি সমিতি রয়েছে।
সাহারবাটী গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে এমন দেখা যায়নি তবে গত ২ বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই সমিতির মাধ্যমে গরু ক্রয় করে তা ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে এ সমিতি চালু হওয়ায় অধিকাংশ কসাইয়ের মাথায় হাত! ঈদ এলেই দাম বাড়িয়ে ৮’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও এবারে হয়তো তা সম্ভব হবেনা। কারণ প্রতিটা গ্রামেই অসংখ্য মাংস সমিতি রয়েছে সুতরাং কসাইদের কাছে মাংস কেনার লোকজন তেমন একটা নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছরে প্রতিটা গ্রামে কসাইগণ ২/৪ টা গরু মহিষ জবেহ করার প্রচারণার মাইকিং করলেও  এবারে তেমন একটা প্রচারণা কানে আসেনি।