Dhaka , Saturday, 17 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ঈদগাঁও বাজারে ভোক্তা অধিকার অভিযান: কাপড়ের দোকানে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা একটি হারানো সংবাদ নলছিটিতে সুগন্ধা নদী ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগের দাবিতে মানববন্ধন কাঁঠালিয়ার তালগাছিয়া পীর সাহেবের কবর জিয়ারত ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে গোলাম আজম সৈকতের নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু  ঠাকুরগাঁওয়ে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের মানবিক উষ্ণতা: কম্বল পেল ৩০০ পরিবার নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু রূপগঞ্জে শারিরিক প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার উপহার রূপগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বিশাল অভিযান দেড় কোটি টাকার মাদকসহ আটক ৩ কালিয়াকৈরে উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ শরীয়তপুরে জানাজার আগে ককটেল আতঙ্ক, স্ট্রোকে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু তারুণ্যের পিঠা উৎসব শেষে মাঠ পরিচ্ছন্নতায় জেন-জি’র চমৎকার দৃষ্টান্ত আদিতমারীতে বসতঘরে র‍্যাবের হানা: বিপুল মাদকসহ নারী কারবারি গ্রেফতার বিচারহীনতার বিরুদ্ধে রাজপথে ইনকিলাব মঞ্চ, হাদি হত্যাকাণ্ডে প্রতিবাদ শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল ফেইসবুকে লাইভ করে চসিকের সৌন্দর্য বর্ধনের অবকাঠামো ভাংচুর ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান উদ্বোধন গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে চট্টগ্রামে বিশেষ বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষক কক্সবাজারের জাহাঙ্গির আলম শরীয়তপুরে কাবিখা কাবিটা প্রকল্পে লুটপাট, প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে হুমকি রামুর ফতেখাঁরকুলের ইয়াবাডন আবদুল্লাহ ইয়াবাসহ গ্রেফতার। কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোওয়াফ, থানায় জিডি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পাঁচবিবিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নিরাপত্তা তদারকি জোরদার চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের পুনরায় বিক্ষোভ নোয়াখালীতে ২৫০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিমানার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের। টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনে লাল সোনা  নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীর জায়গা দখল করে বিএনপির কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি যোগ দিলেন জামায়াতে হিলিতে প্রকাশ্যে ধূমপানের দায়ে জরিমানা

চসিকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের রাস্তায় ফের বর্জ্য ফেললো মহল্লা কমিটি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:23:33 pm, Saturday, 6 December 2025
  • 115 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের জনবহুল খালপাড় এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবারও চলাচলের রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, মুসল্লি ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, রসুলবাগ সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্দেশে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ৬ ডিসেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় অন্তত পাঁচটি ময়লার ভ্যানগাড়ির আবর্জনা বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, কবরস্থান ও নিকটস্থ আবাসিক বাসাবাড়ির সামনে রাস্তায় ফেলে যায়। এতে পুরো এলাকা তীব্র দুর্গন্ধে অসহনীয় হয়ে ওঠে।

এর আগে গত ২৬ নভেম্বর (বুধবার) একই ঘটনার প্রতিবাদে গ্রীন সিটি হাউজিং সোসাইটি, একর্ড গ্রীন ভিলেজ ফ্ল্যাট ওনার্স এসোসিয়েশন এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ-পুরুষ, নারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে খালপাড় এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে একর্ড গ্রীন ভিলেজের সভাপতি মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, প্রফেসর নুরুল্লাহ, মোহাম্মদ আলম খান, ইসমাইল জসীম, নাজিমুদ্দিন, সাংবাদিক ইসমাইল ইমন, সাইফুল ইসলাম, আজিজুল হক, ছমদুল করিম ভুট্টো, সালমান ফারসি, সালাউদ্দিন চৌধুরী, চৈতি বড়ুয়াসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে তাঁরা অভিযোগ করেন, “চসিকের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও নিয়ম থাকা সত্ত্বেও মহল্লা কমিটির কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ইচ্ছে করে রাস্তাকে স্থায়ী ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছেন। এতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের চরম ক্ষতি হচ্ছে।”

মানববন্ধনে উপস্থিত নারী ও শিশুরা বলেন, “স্কুলে যাওয়া-আসার সময় ভয়াবহ দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ি। রাতদিন কুকুরের উৎপাত, মশা-মাছির বংশবিস্তার এবং ময়লা ছড়িয়ে পড়ায় হাঁটাই কষ্টকর হয়ে গেছে। আমরা সুস্থ পরিবেশে বাঁচতে চাই।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ- ময়লার স্তূপ থেকে পচা পানি,বর্জ্য গড়িয়ে খালে পড়ছে, ফলে খাল ভরাট হয়ে বর্ষায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। আশপাশের মসজিদে মুসল্লিদের যাতায়াতে তৈরি হচ্ছে বড় ধরনের বাধা। কবরস্থানের পাশে দূর্গন্ধ ও নোংরা পানি ছড়িয়ে পবিত্রতাও নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

এলাকাবাসী জানান, বর্জ্যর কারণে রাস্তা প্রায় অচল হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালমুখী রোগী, বয়স্ক মানুষ ও গর্ভবতী নারীদের নিয়েও বিপাকে পড়তে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সও ঢুকতে পারে না অনেক সময়।

স্থানীয় একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের বাসাবাড়ির গেটের সামনে এভাবে বর্জ্যের পাহাড় বানানো কোনো সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। অভিযোগ করলেও সমাধান হচ্ছে না।”

চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ পূর্বে রাস্তায় ময়লা ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে লিখিত নোটিশ লাগিয়ে দেয়। পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিত ময়লা সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত পয়েন্টও রাখে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, রসুলবাগ সমাজকল্যাণ পরিষদের কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিজেদের সুবিধার জন্য আবাসিক এলাকায় ভ্যানগাড়ি এনে বর্জ্য ফেলাতে নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের দাবি, চসিকের অঘোষিত ‘ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও সেইফটি সিটি’ উদ্যোগ বাস্তবায়িত করতে হলে এ ধরনের অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও বর্জ্য ফেলতে দেওয়া হবে না। রাস্তায় ময়লা ফেলে নাগরিকদের ভোগান্তিতে ফেলা সম্পূর্ণ অমানবিক ও দন্ডনীয় কাজ। চসিকের যেকোনো নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যত প্রভাবশালীই হোক, আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবই। শহরকে ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও নিরাপদ রাখা আমাদের দায়িত্ব এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ইতোমধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত ও দ্রুত আবর্জনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি, পরিবেশ দূষণ এবং মসজিদ–কবরস্থানের পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদগাঁও বাজারে ভোক্তা অধিকার অভিযান: কাপড়ের দোকানে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা

চসিকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের রাস্তায় ফের বর্জ্য ফেললো মহল্লা কমিটি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আপডেট সময় : 08:23:33 pm, Saturday, 6 December 2025

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের জনবহুল খালপাড় এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবারও চলাচলের রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, মুসল্লি ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, রসুলবাগ সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্দেশে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ৬ ডিসেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় অন্তত পাঁচটি ময়লার ভ্যানগাড়ির আবর্জনা বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, কবরস্থান ও নিকটস্থ আবাসিক বাসাবাড়ির সামনে রাস্তায় ফেলে যায়। এতে পুরো এলাকা তীব্র দুর্গন্ধে অসহনীয় হয়ে ওঠে।

এর আগে গত ২৬ নভেম্বর (বুধবার) একই ঘটনার প্রতিবাদে গ্রীন সিটি হাউজিং সোসাইটি, একর্ড গ্রীন ভিলেজ ফ্ল্যাট ওনার্স এসোসিয়েশন এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ-পুরুষ, নারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে খালপাড় এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে একর্ড গ্রীন ভিলেজের সভাপতি মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, প্রফেসর নুরুল্লাহ, মোহাম্মদ আলম খান, ইসমাইল জসীম, নাজিমুদ্দিন, সাংবাদিক ইসমাইল ইমন, সাইফুল ইসলাম, আজিজুল হক, ছমদুল করিম ভুট্টো, সালমান ফারসি, সালাউদ্দিন চৌধুরী, চৈতি বড়ুয়াসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে তাঁরা অভিযোগ করেন, “চসিকের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও নিয়ম থাকা সত্ত্বেও মহল্লা কমিটির কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ইচ্ছে করে রাস্তাকে স্থায়ী ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছেন। এতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের চরম ক্ষতি হচ্ছে।”

মানববন্ধনে উপস্থিত নারী ও শিশুরা বলেন, “স্কুলে যাওয়া-আসার সময় ভয়াবহ দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ি। রাতদিন কুকুরের উৎপাত, মশা-মাছির বংশবিস্তার এবং ময়লা ছড়িয়ে পড়ায় হাঁটাই কষ্টকর হয়ে গেছে। আমরা সুস্থ পরিবেশে বাঁচতে চাই।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ- ময়লার স্তূপ থেকে পচা পানি,বর্জ্য গড়িয়ে খালে পড়ছে, ফলে খাল ভরাট হয়ে বর্ষায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। আশপাশের মসজিদে মুসল্লিদের যাতায়াতে তৈরি হচ্ছে বড় ধরনের বাধা। কবরস্থানের পাশে দূর্গন্ধ ও নোংরা পানি ছড়িয়ে পবিত্রতাও নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

এলাকাবাসী জানান, বর্জ্যর কারণে রাস্তা প্রায় অচল হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালমুখী রোগী, বয়স্ক মানুষ ও গর্ভবতী নারীদের নিয়েও বিপাকে পড়তে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সও ঢুকতে পারে না অনেক সময়।

স্থানীয় একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের বাসাবাড়ির গেটের সামনে এভাবে বর্জ্যের পাহাড় বানানো কোনো সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। অভিযোগ করলেও সমাধান হচ্ছে না।”

চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ পূর্বে রাস্তায় ময়লা ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে লিখিত নোটিশ লাগিয়ে দেয়। পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিত ময়লা সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত পয়েন্টও রাখে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, রসুলবাগ সমাজকল্যাণ পরিষদের কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিজেদের সুবিধার জন্য আবাসিক এলাকায় ভ্যানগাড়ি এনে বর্জ্য ফেলাতে নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের দাবি, চসিকের অঘোষিত ‘ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও সেইফটি সিটি’ উদ্যোগ বাস্তবায়িত করতে হলে এ ধরনের অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও বর্জ্য ফেলতে দেওয়া হবে না। রাস্তায় ময়লা ফেলে নাগরিকদের ভোগান্তিতে ফেলা সম্পূর্ণ অমানবিক ও দন্ডনীয় কাজ। চসিকের যেকোনো নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যত প্রভাবশালীই হোক, আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবই। শহরকে ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও নিরাপদ রাখা আমাদের দায়িত্ব এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ইতোমধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত ও দ্রুত আবর্জনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি, পরিবেশ দূষণ এবং মসজিদ–কবরস্থানের পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”