Dhaka , Friday, 6 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টায় শক্ত হাতে প্রতিরোধের আহ্বান জামায়াত আমিরের ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলায় চৌরঙ্গী বাজারে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে  রামগঞ্জে পুলিশের দাপট, বেড়া দিয়ে একমাস যাবত অবরুদ্ধ করে রেখেছে একটি পরিবার সকলকে সম্পৃক্ত করে  হাটহাজারীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই:- মীর হেলাল। আলেম সমাজ বিএনপির পাশে, ব্যালেটেই মিলবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রমাণ: সালাহউদ্দিন আহমদ শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে ছাত্র-জনতার অবস্থান উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ফলক উদ্ধার ঈদগাঁওতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী আটক শ্রীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু কলোনি’ নয় এখন থেকে ‘শহীদ শাহজাহান নিবাস’; ভাড়াটিয়া প্রার্থী দিয়ে লালমনিরহাটকে অপমান করা হয়েছে: আসাদুল হাবিব দুলু ইবিতে বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি ও সমাবেশ ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফ নাকি জুলুমের পথে চলবে: আল্লামা মামুনুল হক রূপগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ চন্দনাইশে দোহাজারীতে অবৈধ রোহিঙ্গা কলোনীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৪৫ জন নারী পুরুষ আটক বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দেশ দুর্নীতিতে ৫বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম আগামীকাল শুক্রবার ঝালকাঠি আসছেন জামায়াত আমির, অর্ধলক্ষাধিক মানুষের জনসমাগমের প্রস্তুতি আশুলিয়ায় ৭ হত্যার ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল রায়: ৬ মৃত্যুদণ্ড, ৮ সাজা তুরাগ নদে শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসন: বিষাক্ত পানিতে দুর্বল মাছ, সহজ শিকারে জেলেদের হিড়িক মধুপুরে বিএনপির এমপি প্রার্থী স্বপন ফকিরের গণমিছিল নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ চারজন আটক নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় গণজোয়ার। কেউ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে—মাও: আবুল কালাম আজাদ পাইকগাছা-কয়রায় জেলা ওলামা দলের ধানের শীষের জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ফ্রান্স দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলরের সাথে মতবিনিময়কালে ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে গারোদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. কাফি বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী’র ছালেহ্ আহমেদ এর শেষ বিদায়” নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান:- বেতার–টেলিভিশন ও সংস্কৃতির কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ ২ দুস্কৃতিকারী আটক

খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:01:05 pm, Wednesday, 4 February 2026
  • 53 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল খনন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নগরীর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই বর্তমান উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার নগরীর খুলশী লেকসিটি আবাসিক এলাকার কৈবল্যধামের পেছনে কালির ছড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নগরীর খালগুলো দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দখলমুক্তকরণ ও নিয়মিত খনন—এই দুইটি কাজ একসঙ্গে চালানো হচ্ছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা এখন জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই ফরিদার পাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন খাল পুনরুদ্ধার, নালা পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
“প্রাকৃতিক খালগুলোই ছিল চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। সেগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে অল্প সময়ে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। কালির ছড়া খাল খনন তারই একটি অংশ। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার ও খনন করা হবে।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বর্তমানে নগরীর ৩৬টি খালে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং অবশিষ্ট ২১টি খাল পরিষ্কার ও খননের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করবে। তবে শুধু খাল খনন করলেই হবে না—খাল রক্ষা, দখলমুক্ত রাখা এবং বর্জ্যমুক্ত রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে খাল ভরাট বা দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাল ও নালায় পলিথিন, প্লাস্টিক এবং অন্যান্য আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। এসব বর্জ্যই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। পলিথিনের কারণে অনেক স্থানে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির বিকল্প নেই মন্তব্য করে মেয়র বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামবাংলার কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সেই দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে এক সময় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান বাস্তবতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সেই ঐতিহাসিক কর্মসূচি পুনরায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব, অন্যদিকে নগর ও গ্রামীণ এলাকায় জলাবদ্ধতা হ্রাস, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, মেয়রের জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, আবু তাহের, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টায় শক্ত হাতে প্রতিরোধের আহ্বান জামায়াত আমিরের

খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত

আপডেট সময় : 10:01:05 pm, Wednesday, 4 February 2026

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল খনন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নগরীর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই বর্তমান উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার নগরীর খুলশী লেকসিটি আবাসিক এলাকার কৈবল্যধামের পেছনে কালির ছড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নগরীর খালগুলো দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দখলমুক্তকরণ ও নিয়মিত খনন—এই দুইটি কাজ একসঙ্গে চালানো হচ্ছে।
নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা এখন জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই ফরিদার পাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন খাল পুনরুদ্ধার, নালা পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
“প্রাকৃতিক খালগুলোই ছিল চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। সেগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে অল্প সময়ে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। কালির ছড়া খাল খনন তারই একটি অংশ। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার ও খনন করা হবে।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বর্তমানে নগরীর ৩৬টি খালে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং অবশিষ্ট ২১টি খাল পরিষ্কার ও খননের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করবে। তবে শুধু খাল খনন করলেই হবে না—খাল রক্ষা, দখলমুক্ত রাখা এবং বর্জ্যমুক্ত রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে খাল ভরাট বা দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাল ও নালায় পলিথিন, প্লাস্টিক এবং অন্যান্য আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। এসব বর্জ্যই জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। পলিথিনের কারণে অনেক স্থানে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির বিকল্প নেই মন্তব্য করে মেয়র বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামবাংলার কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সেই দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে এক সময় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান বাস্তবতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সেই ঐতিহাসিক কর্মসূচি পুনরায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব, অন্যদিকে নগর ও গ্রামীণ এলাকায় জলাবদ্ধতা হ্রাস, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, মেয়রের জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, আবু তাহের, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।