
শওকত আলম, কক্সবাজার:
আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও ইনানী পাথুরে বীচের বালিয়াড়িতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা শাখার পক্ষ থেকে মাননীয় জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাপা কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি এইচ.এম. এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়—সম্প্রতি কক্সবাজার ও ইনানী সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি ও পাথুরে বীচ এলাকায় অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সৈকতের একাধিক অংশ খণ্ডিত হয়ে পড়ছে এবং পর্যটন আকর্ষণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাপা নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুযায়ী কক্সবাজার ও ইনানী-টেকনাফ সৈকত এলাকা “প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা” হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। এই এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশদূষণকারী কোনো স্থাপনা বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম আইনত নিষিদ্ধ। এছাড়া মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকেও সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা জারি করেছে।
অতএব, বাপা কক্সবাজার জেলা কমিটি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের নিকট অবিলম্বে ইনানী ও কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানায়।
নিবেদক:
এইচ.এম. এরশাদ — সভাপতি, বাপা কক্সবাজার
করিম উল্লাহ কলিম — সাধারণ সম্পাদক, বাপা কক্সবাজার।

























